করোনা সংক্রমণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান যুব ইউনিয়নের

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ০৪:৩৬, এপ্রিল ০১, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ০৫:১৪, এপ্রিল ০১, ২০২০

করোনা প্রতিরোধে যুব্ উন্নয়নের কার্যক্রমকরোনা সংক্রমণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে যুব ইউনিয়ন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি হাফিজ আদনান রিয়াদ এবং সাধারণ সম্পাদক খান আসাদুজ্জামান মাসুম এক যৌথ বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ যেকোনও সময় মহামারীতে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কিন্তু আমাদের দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ শ্রমজীবী মানুষ এখনও এর ভয়াবহতা সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন নয়। সরকার প্রথম থেকে দেশের প্রবেশ পথগুলোতে কড়াকড়ি আরোপ করেনি। ফলে বিদেশ ফেরত মানুষরা সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এরপর সাধারণ ছুটি দিয়ে একসঙ্গে মানুষকে বাড়িতে যাওয়ার সুযোগ দিয়েছে। প্রথম থেকে সরকারি বিশেষজ্ঞরা বলেছেন সবার মাস্ক পরার দরকার নেই। শুধু আক্রান্তরা পরলেই হবে। এখন রাস্তায় মাস্ক ছাড়া বের হলে কান ধরানো ও লাঠিপেটা করা হচ্ছে। এতদিন পর পিপিই তৈরিতে সরকার কাজ শুরু করছে। কিন্তু বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা নিরাপত্তা ঝুঁকিতে কাজ করতে পারছেন না। বাজারে ক্যামিক্যাল, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাস্কসহ প্রতিরোধ উপকরণের স্বল্পতার ফলে অসাধু ব্যবসায়ীরা উচ্চমূল্যে তা বিক্রি করছে। সার্বিকভাবে এক ধরনের ভারসাম্যহীন অপ্রস্তুত রাষ্ট্রযন্ত্র দেশের মানুষের সামনে প্রকাশিত হয়ে পড়েছে।

এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন,  ছাত্র ইউনিয়ন, উদীচীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠন সেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাস্ক, জীবাণুনাশক, পিপিইসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করছে। কিন্তু তাদের সেচ্ছাশ্রমের প্রচেষ্টা স্ব স্ব সংগঠনের উদ্যোগ হিসেবেই থাকছে।

বিবৃতিতে যুব নেতৃবৃন্দ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আসন্ন তীব্রতর সংকটকে যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে জরুরি জাতীয় কর্তব্য হিসেবে সব প্রচেষ্টাকে সমন্বিত করার উদ্যোগ নিন। অনলাইনে সেচ্ছাসেবক আহ্বান ও নিবন্ধনের মাধ্যমে তাদের তালিকা করে দ্রুততম সময়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করুন। পরিস্থিতিকে আড়াল না করে প্রকৃত সত্যের ভিত্তিতে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় বাংলাদেশ ভয়াবহ মানবিক দুর্যোগ প্রত্যক্ষ করবে।

যুব ইউনিয়ন জানায়,  কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে এ পর্যন্ত প্রায় ৩৭ হাজার স্যানিটাইজার তৈরি ও বিতরণ করা হয়েছে।  এছাড়া এক হাজার দরিদ্র মানুষের জন্য চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এছাড়া  চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, জামালপুর, গাজীপুর, মাদারীপুর, মানিকগঞ্জ, হবিগঞ্জ, গাইবান্ধা, সিলেট, নওগাঁ ও সুনামগঞ্জসহ অনেক জেলায় সংগঠনের নিজস্ব উদ্যোগে হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি ও খাদ্যদ্রব্য বিতরণ কর্মসূচি গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে ।

 

 

 

/এসও/আইএ/

লাইভ

টপ