ভর্তি না করায় রোগীর মৃত্যু: ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে রিট

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২২:৪২, জুলাই ০৫, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ২২:৪৫, জুলাই ০৫, ২০২০

হাইকোর্টহাসপাতাল-ক্লিনিকে ভর্তি না করায় রোগী মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে একটি সম্পূরক রিট আবেদন করা হয়েছে। একইসঙ্গে আবেদনে করোনা রোগী ভর্তি না করার বিষয়ে অভিযোগ জানানোর জন্য পুলিশের একটি পৃথক হটলাইন চালুর বিষয়ে নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। রবিবার (৫ জুলাই) চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানার মৃত হাজী মোহাম্মদ হোসাইনের ছেলে হেলাল উদ্দিনের পক্ষে অ্যাডভোকেট ইয়াদিয়া জামান এ আবেদন করেন।

এছাড়াও সম্পূরক আবেদনে যেসব হাসপাতাল বা ক্লিনিক রোগী ভর্তির বিষয়ে সরকারি নির্দেশনা মানবে না তাদের লাইসেন্স বাতিল করার বিষয়েও নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। আবেদনে রোগী ভর্তি না করা এবং অতিরিক্ত বিল নেওয়ার অভিযোগে একটি পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ জুন রোগী ভর্তি না করা এবং অতিরিক্ত বিল নেওয়ার অভিযোগ এনে ঢাকা ও চট্টগামের তিনটি বেসরকারি হাসপাতালের পরিচালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। ওই হাসপাতাল তিনটি হলো ঢাকার আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতাল, চট্টগ্রামের নিজাম রোডের মেট্রোপলিটন হাসপাতাল এবং মেডিক্যাল সেন্টার হাসপাতাল।

সেই রিট আবেদনের সঙ্গে রবিবার হাসপাতাল-ক্লিনিকে ভর্তি না করায় রোগী মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে আবেদন জানানো হয়।

হেলাল উদ্দিনের করা আবেদনে বলা হয়, তার পিতা হাজী মোহাম্মদ হোসাইনের অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে গত ২ জুলাই সকাল সাড়ে সাতটার সময় চট্টগামের পাঁচলাইশ থানার কাঠালগঞ্জ রোডের পার্ক ভিউ হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালটির জরুরি বিভাগ থেকে তাকে ৮ম তলায় সিসিইউতে ভর্তি করতে বলা হয়। কিন্তু ওই ইউনিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা চতুর্থ তলার ইউনিটে ভর্তি করতে বলেন। চতুর্থ তলায় গেলে তাকে আবার অষ্টম তলায় যেতে বলা হয়। এবার অষ্টম তলায় দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, আমরা আশঙ্কা করছি রোগীর করোনা হয়েছে। তাই এবিষয়ে পরীক্ষার সনদ ছাড়া ভর্তি করা যাবে না। রিট আবেদনে বলা হয়, এসময় করোনার হয়নি মর্মে সনদ (নেগেটিভ) দেখানোর পরও রোগী ভর্তি করেনি। এভাবে দেড় ঘণ্টা কেটে যায়। এ অবস্থায় সকাল ৯টায় তার পিতা মারা যান।

/বিআই/এমআর/

লাইভ

টপ