প্রাথমিকে শুরু হচ্ছে ‘ঘরে বসে ফোনালাপ: পাশে আছি’ কর্মসূচি

Send
এস এম আববাস
প্রকাশিত : ০৭:০০, জুলাই ১০, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ০৭:০০, জুলাই ১০, ২০২০

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরদেশের সরকারি সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও মাঠ পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে ‘ঘরে বসে ফোনালাপ: পাশে আছি’ শীর্ষক এক ঘণ্টার কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। শিক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার আগে ও পরে করণীয় এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা নিয়ে প্রধান শিক্ষক ও মাঠ পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফোনালাপ করবেন সঞ্চালকরা। বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর যৌথভাবে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। করপোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি (সিএসআর) –এর আওতায় ফোন কলের মূল্য ও সঞ্চালকের ব্যয় বহন করবে ব্র্যাক।
জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ্ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ব্র্যাকের সঙ্গে যৌথভাবে ‘ঘরে বসে ফোনালাপ: পাশে আছি’ শীর্ষক কর্মসূচি শিগগিরই শুরু করা হবে। মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলাপের পর দিন ঠিক করবো।
অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন ৩০০ জন সঞ্চালক চার জন প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে এক ঘণ্টা করে ফোনে কথা বলবেন। উপজেলা পর্যায়ের প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারসহ ৬৫ হাজার প্রধান শিক্ষক ও মাঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলবেন সঞ্চালকরা। এই কর্মসূচি চলবে প্রায় দুই মাস। এতে সব ব্যয় বহন করবে ব্র্যাক।
করোনা পরিস্থিতির কারণে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার অংশ হিসেবেই এই কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ ছুটিকে কাজে লাগিয়ে প্রধান শিক্ষকসহ মাঠ কর্মকর্তাদের বিভিন্ন করণীয় সম্পর্কে ধারণা দেওয়া, শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিষয় শেযার করা এবং শিক্ষক-ছাত্রসহ সবার খোঁজ-খবর রাখার বিষয় নিয়েও ফোনে আলাপ-আলোচনা করা হবে।
কোভিড-১৯ সম্পর্কে সরকার কী নির্দেশনা দিচ্ছে শিক্ষক ও মাঠ পর্যায়ের কর্তারা কী করছেন, ছুটির এই সময় তাদের করণীয় কী তা নিয়ে ফোনালাপ করবেন সঞ্চালকরা। তারা কিভাবে শিক্ষার্থীদের খোঁজ-খবর রাখছেন, কিভাবে পড়ালেখা চালিয়ে নিয়ে আনন্দে রাখা যায় তা নিয়ে শিক্ষকরা কী করছেন এসব বিষয়ে আলোচনা হবে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে। শিক্ষকদের কী করতে হবে, বন্যাসহ বিভিন্ন দুর্যোগ মোকাবিলায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের করণীয় কী, শিশু শিক্ষার্থীরা কীভাবে আনন্দময় শিক্ষা পেতে পারে। শিক্ষকরা ঘরে বসে কীভাবে সুস্থ থাকবেন, শিক্ষার্থীদের খেলার মাধ্যমে কীভাবে শিক্ষা দেওয়া যাবে এবং শিক্ষার্থীদের কিভাবে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে এবং হবে তা নিয়ে এই ফোনালাপ কর্মসূচি পরিচালিত হবে।
এছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার আগে ও পরে কী করতে হবে বিষয়টি গুরুত্ব পাবে ফোনালাপে। সঞ্চালকরা ওয়ান টু ওয়ান এক ঘণ্টা কথা বলবেন।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ্ জানান, গত ২৭ ও ২৮ জুন দুইদিনের পাইলট কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। এক হাজার ২০০ শিক্ষক পাইলটিংয়ে অংশ নিয়েছেন। প্রতিমন্ত্রীর কাছ থেকে সময় নিয়ে তারিখ নির্ধারণ করা হবে। গণমাধ্যমের কাছে পুরো বিষয়টি তুলে ধরা হবে।

/এমআর/

লাইভ

টপ