জেকেজির মামলা ডিবিতে, নমুনা সংগ্রহে সাপোর্ট দিয়েছে সাবরিনা

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ০১:৫৫, জুলাই ১৪, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ০২:১০, জুলাই ১৪, ২০২০

সাবরিনা আরিফ চৌধুরীজেকেজি হেলথ কেয়ার করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার জন্য স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে যে প্রজেক্ট নিয়েছিল, তা বাস্তবায়নে সকল টেকনিক্যাল সাপোর্ট ও টেকনিশিয়ান দিয়ে কাজ করানোর দায়িত্ব পালন করে সদ্য বরখাস্ত হওয়া চিকিৎসক সাবরিনা আরিফ চৌধুরী (সাবরিনা শারমিন হুসাইন)। এমনকি তিতুমীর কলেজে তাদের অস্থায়ী ক্যাম্পে স্বাস্থ্য অধিদফতরের কর্মকর্তারাও সাবরিনার ডাকে সেখানে যান। এদিকে তেজগাঁও থানা থেকে মামলাটি ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনারের নির্দেশে তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছে গোয়েন্দা পুলিশের তেজগাঁও বিভাগ।

সোমবার (১৩ জুলাই) জেকেজিকে এসব সহযোগিতা করার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করে সাবরিনা। তবে এই প্রতিষ্ঠান থেকে লাভবান হওয়ার কথা এখনও স্বীকার করেনি সাবরিনা। ডিবির তেজগাঁও বিভাগের ডিসি গোলাম মোস্তফা রাসেল জানান, জেকেজির মাধ্যমে কারা নমুনা পরীক্ষার সার্টিফিকেট নিয়েছে আমরা এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখবো। এই প্রতিষ্ঠান থেকে কারা লাভবান হয়েছে তাও খতিয়ে দেখা হবে। সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই মামলাটি তদন্ত করবে ডিবি।

সোমবার দুপুরে এই মামলায় সাবরিনাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড পেয়েছে পুলিশ। আনুষ্ঠানিকভাবে মামলার সবকিছু বুঝে নেবেন ডিবির কর্মকর্তারা।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মানুষের সঙ্গে প্রতারণা শুরুর বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যখন জানতে পেরেছে তখন থেকেই অভিযুক্তরা বিভিন্নভাবে প্রমাণ করার চেষ্টা করেছে এসব তাদের চাকরিচ্যুত কর্মচারীরা করেছে।

এরআগে রবিবার (১২ জুলাই) দুপুরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হৃদরোগ ইনস্টিটিউট থেকে ডা. সাবরিনাকে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের ডিসির কার্যালয়ে ডেকে নেয় পুলিশ। পরে তাকে তেজগাঁও থানায় দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।

পুলিশ বলছে, জেকেজি হেলথ কেয়ারে যেসব কর্মী কাজ করতো, তাদের অনেকেই টেকনিকালি দক্ষ ছিল না। কিন্তু তাদেরকে কোনও রকম নামে মাত্র প্রশিক্ষণ দিয়ে অবৈধভাবে টাকা আত্মসাৎ করতে মাঠে ছেড়ে দেওয়া হয়। আর এই প্রশিক্ষণ ও লোক সরবরাহ কাজে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের কার্ডিয়াক সার্জন ডা. সাবরিনা জড়িত ছিল। গ্রুপটির চেয়ারম্যান হিসেবে সে নিজেকে দাবি করে বক্তব্যও দিয়েছে। কিন্তু এখন সবকিছু অস্বীকার করছে। জেকেজির আরিফুল ও সাবরিনাকে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদের কথাও ভাবছে পুলিশ।

তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার হারুন অর রশীদ বলেন, ‘জেকেজির করোনার নমুনা পরীক্ষার ফলাফল যে ভুয়া, সেটি আমরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানেরে সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হয়েছি। তারা জালিয়াতি করে ভুয়া পরীক্ষার ফলাফল দিয়েছে। তাদের অফিস থেকে উদ্ধারকৃত ল্যাপটপে সেই প্রমাণ মিলেছে।’

 

/এআরআর/এনএস/

লাইভ

টপ