বিচারহীনতার সংস্কৃতি আমাদের জাতীয় জীবনের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ। তিনি বলেন, রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহীর পদ থেকেও হামলার আশঙ্কা করা হচ্ছে। বুধবার সংসদের একাদশ অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে নারায়ণগঞ্জের সাত খুন, কুমিল্লার তনু হত্যাকাণ্ড, চট্টগ্রামের এসপির স্ত্রী মিতু হত্যাকাণ্ডের কথা তুলে ধরে তিনি এসব কথা বলেন।
সাম্প্রতিক দেশে নজিরবিহীন জঙ্গিহামলার প্রসঙ্গ তুলে ধরে রওশন এরশাদ বলেন, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে যদি সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধ হই, তবে এর উত্থান হবে না। ছেলে-মেয়েদের বন্ধুর মতো বোঝাতে হবে। ভালো পথে আনতে যা যা করার দরকার, সম্মিলিতভাবে করতে পারব বলে আমার বিশ্বাস। তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদ সারা বিশ্বের সমস্যা। সারা বিশ্ব এটা মোকাবেলায় হিমশিম খাচ্ছে। ঐক্যবদ্ধভাবে চেষ্টা করলে সমস্যা নির্মূল করা সম্ভব। দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এর নির্মূল করতে হবে।
রওশান এরশাদ আরও বলেন, গুলশানে হামলার মূল লক্ষ্য ছিলো বিদেশিদের হত্যা করা। আমাদের দেশের ঐতিহ্য নষ্ট করার চেষ্টা করেছে। বাংলাদেশ সবচেয়ে নিরাপদ দেশ ছিলো। বিশ্বের অন্য দেশের ঘটনার সঙ্গে আমাদের ঘটনার মিল নেই। আমাদের দেশে সিরিয়া-লেবাননের মত ঘটনা নেই। আমাদের দেশ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সেটাকে রুখতে এসব করা হচ্ছে।
এমপিদের প্লট দিন
রওশন এরশাদ তার বক্তবে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, মন্ত্রী-এমপিরা যারা প্লট পাননি, তাদের যেন প্লট দেওয়া হয়। এটা গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। যাদের প্লট দেওয়া হয়নি তাদের দিতে হবে। এ সময় সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে তাকে সমর্থন জানান।
পদন্নোতি বঞ্চিতদের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশে রওশন এরশাদ বলেন, অনেক সচিব আছেন, যাদের প্রধানমন্ত্রী পদন্নোতি দিয়েছেন, সন্মানিত করেছেন। আবার অনেকে বঞ্চিত হয়েছেন। আমি আশা করব, তাদের কথা প্রধানমন্ত্রী বিবেচনা করবেন। তারা কাজ করছেন। কয়েকজন আছেন, তাদের কথা বিবেচনা করবেন। তাদের সম্মানিত করবেন।
/ইএইচএস/এমএনএইচ/








