জোনায়েদ সাকি গণসংহতির প্রধান সমন্বয়কারী নির্বাচিত

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০৬ নভেম্বর ২০১৬, ০০:০১আপডেট : ০৬ নভেম্বর ২০১৬, ০০:০৭

জোনায়েদ সাকি গণসংহতির প্রধান সমন্বয়কারী নির্বাচিত জোনায়েদ সাকিকে প্রধান সমন্বয়কারী ও আবদুস সালামকে নির্বাহী সমন্বয়কারী করে ২৫ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করেছে গণসংহতি আন্দোলন। প্রথমবারের মত কাউন্সিলের মধ্য দিয়ে নেতৃত্ব নির্বাচন করল তেল-গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটিতে সক্রিয় এই সংগঠনটি। সাকি সংগঠনের শুরু থেকেই প্রধান সংগঠকের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। মুক্তিযুদ্ধে জনগণের আকাঙ্ক্ষার রাষ্ট্র ও সংবিধান প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়ে কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্মেলন করে গণসংহতি আন্দোলন। শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। গত শুক্রবার সম্মেলনের প্রথম পর্ব জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়।
শনিবার সারা দিন গণসংহতি আন্দোলনের ঘোষণাপত্র, রাজনৈতিক প্রস্তাবের ওপর আলোচনা হয়। ঘোষণাপত্রে ২৫ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি প্রস্তাব করা হয়। ৪ টি পদ খালি রেখে ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়।
গত ৩০ জানুয়ারি মুক্তিযুদ্ধে জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন এবং গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে রাজনৈতিক দল আকারে আত্মপ্রকাশ করে গণসংহতি আন্দোলন। ওইদিন সকালে সদস্য সংগ্রহের মধ্য দিয়ে সংগঠনটি দল আকারে হাজির হয়েছে। এসময় কয়েকজন নেতাকর্মী সদস্য ফরম পূরণ করে গণসংহতিতে যোগ দেন।
জানা গেছে, গত বছরের ২৭, ২৮ ও ২৯ নভেম্বর তৃতীয় জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলনে জনগণের নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তির নেতৃত্বদানকারী দল হিসেবে ‘গণসংহতি আন্দোলন’ রাজনৈতিক দল আকারে আত্মপ্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

নতুন কমিটির রাজনৈতিক পরিষদ: দেওয়ান আবদুর রশিদ নিলু, তাসলিমা আখতার, ফিরোজ আহমেদ, আবুল হাসান রুবেল, হাসান মারুফ রুমি।

সম্পাদকমন্ডলী: বাচ্চু ভূইয়া, শ্যামলী সরকার, মনির উদ্দিন পাপ্পু, আবু বকর রিপন, জুলহাস নাইন বাবু, মুরাদ মোরশেদ ও আরিফুল ইসলাম।

কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, আমজাদ হোসেন, দীপক রায়, তৌহিদুর রহমান, অপরাজিতা চন্দ, উশ্যেপ্রুমারমা, জান্নাতুল মরিয়ম ও তরিকুল সুজন।

জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘জনগণ তাদের এই ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করতে পারেন, তার নিজস্ব শক্তি ঘনীভূত  দল গড়ে তুলে। গণসংহতি আন্দোলন তার প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই দল হিসাবে নিজেকে গড়ে তুলতে সংগ্রাম পরিচালনা করে যাচ্ছে। সে স্বপ্ন পূরণ করতে যে দীর্ঘ লড়াইয়ের প্রয়োজন, তার প্রতিটি ধাপে জনগণের শক্তিকে সংগঠিত করে সংগ্রাম গড়ে তুলতে চাই আমরা।’

গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় পরিচালনা কমিটির সদস্য প্রাবন্ধিক-সাংবাদিক ফিরোজ আহমেদ বলেন,‘২০০২ সালের ২৯ আগস্ট গণসংহতি আন্দোলন বেশ কয়েকটি গণসংগঠনকে নিয়ে একটি জাতীয় রাজনৈতিক প্লাটফর্ম হিসাবে যাত্রা শুরু করে। এই গণসংগঠনগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, বাংলাদেশ বহুমুখী শ্রমজীবী ও হকার সমিতি, নারী সংহতি, বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতি, প্রতিবেশ আন্দোলন ও বাংলাদেশ কৃষক-মজুর সংহতি তাদের স্ব স্ব ক্ষেত্রে লড়াই-সংগ্রামে নেতৃত্বমূলক সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছুতে সুদৃঢ়ভাবে কাজ করব ।’

এসটিএস/এপিএইচ/

 

সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
নতুন নাম জড়ানোর চেষ্টা বিচার বিলম্বের কৌশল: ডিএমপি কমিশনার
শিশু রামিসা হত্যা মামলানতুন নাম জড়ানোর চেষ্টা বিচার বিলম্বের কৌশল: ডিএমপি কমিশনার
মূল্যস্ফীতির চাপ কমেনি, ব্যাংক খাতের প্রকৃত সংকটও রয়ে গেছে: সিপিডি
মূল্যস্ফীতির চাপ কমেনি, ব্যাংক খাতের প্রকৃত সংকটও রয়ে গেছে: সিপিডি
অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি
অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি
পুষ্টিগুণে ভরপুর পাঁচমিশালি সবজি ঘণ্ট
পুষ্টিগুণে ভরপুর পাঁচমিশালি সবজি ঘণ্ট
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী