উত্তেজনা নেই ৫ জানুয়ারি ঘিরে

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০৫ জানুয়ারি ২০১৭, ০৯:০৭ আপডেট : ০৫ জানুয়ারি ২০১৭, ০৯:০৯

উত্তেজনা নেই ৫ জানুয়ারি ঘিরে আজ ৫ জানুয়ারি। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তৃতীয় বর্ষপূর্তি।২০১৪ সালের এ দিনে দেশের অন্যতম রাজনৈতিক দল বিএনপির বর্জনের মধ্য দিয়ে দশম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ টানা দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসে।গত দুটি বছর আওয়ামী লীগ ও বিএনপি ভিন্ন আঙ্গিকে দিনটি পালন করে আসছে। দিনটিকে কেন্দ্র করে এবারও দু’দলেরই কর্মসূচি থাকলেও নেই আগের মতো উত্তাপ-উত্তেজনা।
গত দু’বারের মতো এবারও আওয়ামী লীগ দিনটিকে ‘গণতন্ত্রের বিজয় দিবস’ হিসেবে পালন করছে। অন্যদিকে বিএনপি এ দিনটিকে পালন করছে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ হিসেবে।
বিএনপির পক্ষ থেকে রাজধানীতে মিছিল-সমাবেশের মতো রাজপথের কোনও কর্মসূচি না থাকায় সংঘাত-সংঘর্ষের কোনও আশঙ্কা নেই।
এদিকে আওয়ামী লীগ আজ ঢাকায় দুটি সমাবেশ করবে। ঢাকা মহানগর দক্ষিণের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও মহানগর উত্তরের উদ্যেগে সমাবেশ হবে ধানমণ্ডির রাসেল স্কয়ারে। রাজধানীর মতো সারা দেশের জেলা ও উপজেলাতেও একই ধরনের কর্মসূচি পালন করবে তারা।
এদিকে বিএনপির গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে ৫ জানুয়ারি রাজধানীতে কোনও কর্মর্সূচি দেয়নি। তবে সারাদেশের জেলা ও মহানগরগুলোতে কালো পতাকা মিছিল ও কালো ব্যাজ ধারণ কর্মসূচি পালন করবে। বিএনপি ৭ জানুয়ারি একটি সমাবেশ করতে চাইলেও এখনও প্রশাসনের অনুমতি মেলেনি।
বুধবার (৪ জানুয়ারি) এক অনুষ্ঠানে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘৫ জানুয়ারির নির্বাচনে জয়ী হয়ে ১২ জানুয়ারি আমরা সরকার গঠন করি। আমরা সফলতার সঙ্গে দেশ পরিচালনা করেছি। দেশের উন্নতি হয়েছে। উন্নয়ন আমরা ধরে রেখেছি। এটা দেশের ইতিহাসে কোনও সরকারই করতে পারেনি। বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ আজ একটা বিষ্ময়।’
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলের শরিকেরা ওই নির্বাচনে অংশ নেয়। বিএনপি ও তাদের জোট ওই নির্বাচন বর্জন করে এবং প্রতিহত করার ঘোষণা দেয়। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৫ জানুয়ারির আগে-পরে ব্যাপক সহিংসতা ও হানাহানি হলেও নির্বাচন ঠেকাতে ব্যর্থ হয় বিএনপি জোট। এরপর সারা বছর চুপ থাকলেও ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারিকে কেন্দ্র করে বিএনপি আবারও কর্মসূচি ঘোষণা করে। ওই সময় সরকারি দল তা প্রতিহত করার ঘোষণা দিলে রাজনীতির মাঠ উত্তাল হয়ে ওঠে। বিএনপিকে ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি রাজধানীতে সমাবেশ করার অনুমতি না দেওয়ায় তারা হরতাল-অবরোধের ডাক দেয়। টানা তিন মাস চলে ওই আন্দোলন। এরপর দলটি নিজেরাই আন্দোলন থেকে সরে আসে। গত বছর ৫ জানুয়ারিকে কেন্দ্র করেও আওয়ামী লীগ ও বিএনপি মুখোমুখি অবস্থানে চলে গিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সরকার কিছুটা নমনীয়তা দেখায়। বিএনপিকে নয়াপল্টনে সমাবেশ করার অনুমতি দেয়। আর আওয়ামী লীগ সমাবেশ করে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে। কোনও রকম সংঘাত ছাড়াই দুই দলের কর্মসূচি শেষ হয়।

/ইএইচএস/এআর/

সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার-সংক্রান্ত চুক্তি সই
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার-সংক্রান্ত চুক্তি সই
পাহাড়, মেঘ আর ঝরনার মায়ায় বান্দরবানের আলীকদম
পাহাড়, মেঘ আর ঝরনার মায়ায় বান্দরবানের আলীকদম
হামের উপসর্গ নিয়ে তিনজনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১০৬৪
হামের উপসর্গ নিয়ে তিনজনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১০৬৪
ভারতের এক রাজ্যে মদ খেয়ে ১৯ জনের মৃত্যু
ভারতের এক রাজ্যে মদ খেয়ে ১৯ জনের মৃত্যু
সর্বাধিক পঠিত
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৭ দিনের ছুটি 
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৭ দিনের ছুটি 
সমুদ্রের বুকে ঝিনুক আকৃতির টার্মিনাল, অক্টোবরেই আন্তর্জাতিক ঘোষণা
কক্সবাজার বিমানবন্দর সমুদ্রের বুকে ঝিনুক আকৃতির টার্মিনাল, অক্টোবরেই আন্তর্জাতিক ঘোষণা
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত: পুলিশ
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত: পুলিশ
পুলিশের নতুন ইউনিট গঠনের ঘোষণা, শাখা থাকবে যেসব এলাকায়
পুলিশের নতুন ইউনিট গঠনের ঘোষণা, শাখা থাকবে যেসব এলাকায়
এপিবিএনের দায়িত্বের লিখিত বিবরণ চেয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ
এপিবিএনের দায়িত্বের লিখিত বিবরণ চেয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ