আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘দেশের রাজনীতি অঙ্গনে অশুভ শক্তির পদধ্বনি শুনতে পাচ্ছি। আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি ও তাদের দোসররা নাশকতা ও সহিংসতার ছক আঁটছে। দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে।’ তিনি বলেন, ‘জনগণ ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে আওয়ামী লীগের বিকল্প নেই। আগামী নির্বাচনে তারা আবারো নৌকায় ভোট দেবে।’
বৃহস্পতিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দলের সম্পাদকমণ্ডলীর সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। সকালে ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘জাতীয় ঐক্যের কথা বলছে। দেশের ৬৬ শতাংশ মানুষ যে দল ও নেত্রীকে সমর্থন করে, এই সিংহভাগকে বাদ দিয়ে কীভাবে জাতীয় ঐক্য? এটা তো জাতীয়তাবাদী সাম্প্রদায়িক ঐক্য। জনতা নয়, নেতায়-নেতায় ঐক্য। এই পাঁচমিশালী জগাখিচুড়ি ঐক্যের কোনও ভবিষ্যৎ আছে বলে আমরা মনে করি না।’
তিন আরও বলেন, ‘কেন আমরা সংঘাত করবো, আমরা তো ক্ষমতায় আছি। আমরা পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি করবো না। নির্বাচন পর্যন্ত পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে হবে। যদি নৈরাজ্য, নাশকতা হয়, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। দাঁতভাঙা জবাব দেবে জনগণ।’
ওবায়দুল কাদের জানান, ‘১ অক্টোবর থেকে সপ্তাহব্যাপী রাজধানীসহ সারাদেশে গণসংযোগ করবো। রাস্তা অবরোধ করে, বন্ধ করে কাউকে সভা-সমাবেশ করতে দেওয়া হবে না। জনগণের দুর্ভোগ কিছুতেই হতে দেবো না। লাফালাফির পরিণতি শুভ হবে না। হুমকি ধমকি দেবেন, আমরা ঘরে বসে ডুগডুগি বাজাবো, তা হবে না।’








