বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেছেন, ‘নির্বাচনে জিততে মরিয়া হয়ে জামায়াতের দাঁড়িপাল্লায় ধানের শীষ তুলে দিয়েছে বিএনপি। অথচ এই জামায়াত ও যুদ্ধাপরাধীরা আমাদের দেশের স্বাধীনতায়ও বিশ্বাস করে না।’
মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) বিকালে মন্ত্রীর মিন্টো রোডের বাসভবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চার অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন।
রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘ড. কামাল হোসেন, কাদের সিদ্দিকী, আ স ম রবের মতো মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিরা ক্ষমতায় যাবার স্বপ্নে বিভোর হয়ে রাতারাতি জামায়াতের মতো মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তির পক্ষ নিয়েছে। তারা বিএনপির সঙ্গে ঐক্যের কথা বলে ভেতরে ভেতরে চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের বংশধর ও অপশক্তি জামায়াতের সঙ্গে আঁতাত করেছে।’
মনোনয়ন যাচাইবাছাইয়ে কিছু প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মনোনয়ন যাচাইবাছাইয়ে কিছু প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় বিএনপি নির্বাচন কমিশনের দিকে আঙুল তুলেছে। অথচ তারা নিজেরাও জানে, তাদের দল দুর্নীতিতে পাঁচ পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। সুতরাং দুর্নীতি সংক্রান্ত ঝামেলাসহ নানা অনিয়ম নিয়ে তাদের তথাকথিত হেভিওয়েট প্রার্থীরা যে মনোনয়ন থেকে ছিটকে যাবে, এটা তারাও জানে। কিন্তু তারা এগুলোর মধ্যদিয়ে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার একটা ইস্যু বানাতে চাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনকে চাপে রাখতে চাচ্ছে। সুতরাং তাদের এই নাকি কান্নায় আর কোনও লাভ হবে না।’
মেনন বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্রের খেলায় মেতে উঠতে ও নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার নীল নকশা সাজাতে সংসদীয় ৩০০টি আসনে তাদের ৮০০ জন প্রার্থীকে নমিনেশন দিয়েছিল তারা। এটা থেকে নির্বাচন নিয়ে তাদের দুরভিসন্ধি স্পষ্ট ফুটে উঠেছে। কিন্তু তাদের কোনও ষড়যন্ত্রই আর কাজে লাগবে না। দেশের মানুষ এবারের নির্বাচনে উন্নয়নের পথ থেকে এক চুলও সরবে না।’
সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন– ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আকবর আলী, সাধারণ সম্পাদক আবু মুছা চৌধুরী, কারিগরি কর্মচারী সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হক, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব সরকার, কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সোহরাব মোরশেদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদ আলম, চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মো. শাহজাহান, সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম মিয়া প্রমুখ।








