X
বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারি ২০২২, ৫ মাঘ ১৪২৮
সেকশনস

বিএনপি কি চীনকে পাশ কাটাচ্ছে?

আপডেট : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০০:০৯


বিএনপি
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে দলের ফরেইন অ্যাফেয়ার্স কমিটির টিম লিডার করার মধ্য দিয়ে বিএনপিতে চাউর হয়েছে ১৫ বছর আগের বিতর্ক। বলা হচ্ছে, দলটির নতুন বিদেশনীতিতে চীনের গুরুত্ব কমেছে কী না। ভারতকে পাশে পেতে সদ্য প্রণীত এই কৌশলের কারণে চীনকে কি ১৫ বছর আগের ‘বিরোধ’ মনে করিয়ে দেওয়া হলো–এমন প্রশ্ন এখন বিএনপির জ্যেষ্ঠনেতাদের মধ্যে। এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে বাংলা ট্রিবিউনের সঙ্গে ২০০৪ সালের বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে কথা হয়।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান সরকারের আমলে রাষ্ট্র হিসেবে চীনের সঙ্গে সম্পর্কের যাত্রা শুরু হলেও খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে এর ব্যাপক অবনতি ঘটে। ঢাকায় তাইওয়ানের তাইপেই অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অফিস খোলাকে কেন্দ্র করে দেশটির সঙ্গে সম্পর্কের বিপর্যয় ঘটে। এই বিপর্যয় কাটিয়ে উঠে ২০১৮ সাল থেকেই চীনের প্রতি মনোযাগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিএনপির হাইকমান্ড। সিদ্ধান্ত হয়, ভারতকে না চটিয়ে চীনের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক বজায় রাখার।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী
কিন্তু চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে ‘টিম লিডার’ করে দলের ফরেইন অ্যাফেয়ার্স কমিটি পুনর্গঠন করার নির্দেশ দেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গতকাল শনিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) কমিটির প্রথম বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরইমধ্যে দলের অভ্যন্তরে প্রশ্ন উঠেছে,  চীনের সঙ্গে যখন দলের সম্পর্ক উন্নতির দিকে তখন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে টিম লিডার করে দেশটিকে আবার তাইওয়ান প্রসঙ্গটি মনে করিয়ে দেওয়া হলো কিনা? আসলে কী ঘটেছিলো ২০০৪ সালে, যখন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সরকারের বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন?
বিএনপিতে প্রচার আছে, আমীর খসরু মাহমুদই বাংলাদেশে তাইওয়ানের কনসুল অফিস খোলার জন্য দায়ী। আর এ জন্যই তাকে বাণিজ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল।

ডেইলি স্টারে প্রকাশিত প্রতিবেদনের অংশ
বিএনপির বিদেশবিষয়ক কমিটির একাধিক সদস্য মনে করছেন,  আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে প্রধান করায় চীনের কানে বিষয়টি তুলে দিতে পারে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কেউ। সেক্ষেত্রে বিএনপিকে আবারও সহযোগিতা না করার পথে যেতে পারে চীন। অনেকের ধারণা, এতে করে চীন-স্বার্থকে পুরোপুরি জলাঞ্জলি দিয়েছে বিএনপি।
বিএনপিতে চীনকেন্দ্রিক এমন মত থাকলেও ২০০৪ সালের জোট সরকারে ছিলেন এমন দায়িত্বশীলরা বলছেন, বাংলাদেশে তাইওয়ানের কনসুল খোলার অনুমতি দিয়েছিল বাংলাদেশ বিনিয়োগ বোর্ড। এই বোর্ডের আইনের অধীনে নিবন্ধিত নতুন বাণিজ্য প্রতিনিধিত্বমূলক অফিসের মাধ্যমে ম্যান পাওয়ার আমদানি করার সুযোগ পায় তাইওয়ান। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে এই কনসুল বন্ধ করে দেয়।

বিএনপির সাবেক নেতা ও তদানীন্তন পররাষ্ট্র সচিব শমসের মবিন চৌধুরী    
ওই সময় পররাষ্ট্র সচিব ছিলেন শমসের মবিন চৌধুরী। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, ‘ তাইওয়ানে কনসুল চালুর পেছনে বিনিয়োগ বোর্ডের ভূমিকা ছিল। এ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিনিয়োগ বোর্ড। মাহমুদুর রহমান ছিলেন বোর্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যান।’
বন্ধ হয়ে যাওয়া দৈনিক আমার দেশের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান এখন চিকিৎসার জন্য মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন। রবিবার বিকালে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এটা তো ২০০৪ সালের ঘটনা। এত পেছনের কথা কেন। এটা বিএনপির ব্যাপার। আমি কোনও মন্তব্য করবো না।’

বিএনপি নেতা ও সাবেক বিনিয়োগ বোর্ড চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান
তবে মাহমুদুর রহমান ওই সময় গণমাধ্যমে কিছু কথা বলেছেন। ২০০৪ সালের ১১ মার্চ ডেইলি স্টারে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘‘বিওআই’র (বিনিয়োগ বোর্ড) নির্বাহী চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান ইউএনবিকে বলেন, এটা বাণিজ্য সুযোগ সুবিধা ত্বরান্বিত করার অফিস, কূটনীতির সঙ্গে এর কোনও যোগসূত্র  নেই। এক-চীন নীতি থেকে বাংলাদেশের সরে যাওয়ার কোনও ইঙ্গিত এটা নয়। আমি মনে করি না  চীনের উদ্বেগের কোনও কারণ রয়েছে যে বাংলাদেশ নিজেদের পররাষ্ট্র নীতি পাল্টেছে।’’
ওই সময়ের সংবাদপত্রের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ওই সময় তাইওয়ানকে বাণিজ্য ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র খোলার অনুমতি দেওয়া হলেও দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের কোনও কূটনীতিক সম্পর্ক নেই। ফলে, কূটনৈতিক সম্পর্ক ছাড়া কোনও দেশকে বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র খোলার অনুমতির দেওয়ার ঘটনায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কী ভূমিকা ছিল–এটা ওই সময় খোলাসা হয়নি।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন সাবেক জোট সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোর্শেদ খান
তাইওয়ানের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিএনপি জোট সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোর্শেদ খান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমি এ ব্যাপারে অনেক পরে জানতে পারি।’
কিন্তু সেটা রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে হয়েছিল কী না, এমন প্রশ্নের উত্তরে বিএনপির এই ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না। কিন্তু তাইওয়ানের সঙ্গে সম্পর্কে জড়াতে আমি বিরোধিতা করেছিলাম।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তাহলে আপনার অবস্থান কী ছিল–জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার অবস্থান খুব পরিষ্কার ছিল, আমরা আমাদের পরীক্ষিত বন্ধুকে বিরক্ত করতে চাই না।’
বিনিয়োগ বোর্ডের সদস্য ছিলেন তৎকালীন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি আবদুল আউয়াল মিন্টু। বর্তমানে বিএনপির এই ভাইস চেয়ারম্যানকে এ বিষয়ে একাধিকবার ফোন করা হলেও পাওয়া যায়নি। মিন্টু ফরেইন অ্যাফেয়ার্স কমিটির সদস্য হিসেবেও নিযুক্ত হয়েছেন।

বিএনপির সাবেক নেতা ইনাম আহমেদ চৌধুরী
২০১৬ সালে বিনিয়োগ বোর্ড ও প্রাইভেটাইজেশন কমিশন একীভূত করে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। বিএনপি-জোট সরকারের সময়ে বেসরকারিকরণ কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন ইনাম আহমেদ চৌধুরী। তিনি বিএনপির ফরেইন অ্যাফেয়ার্স কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে ২০১৫ সাল থেকে গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। নির্বাচনের আগে তিনি পদত্যাগ করে আওয়ামী লীগের যোগ দেন।
‘আমার জানামতে আলোচনা করে ঢাকায় তাইওয়ানের কনসুল খোলা হয়নি। যতদূর মনে হয়, ঘটা করে করা হয়নি’–জানান ইনাম আহমেদ চৌধুরী।
বিনিয়োগ বোর্ডের মাধ্যমে তাইওয়ানের কনসুল খোলা হলেও দায় দেওয়া হয়েছে বিএনপির সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদের ওপর। যদিও তাকে পদত্যাগ করতে হয়েছে প্রয়াত অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমানের কারণে। ২০০৪ সালের ১১ মার্চ ডেইলি স্টারের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘অভিযোগ আছে, আমির খসরু পদত্যাগ করেছিলেন একটি সিন্ডিকেটকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য অতিমাত্রায় বৃদ্ধির সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠার জন্য। আর তৎকালীন অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমানের সঙ্গে তার দ্বন্দ্বও আরেকটি কারণ বলে মনে করা হয়।’
কিন্তু বিএনপিতে আলোচনা আছে আমীর খসরুর কারণে কনসুল খোলা হয়েছিল। এমনকী বিএনপির ফরেইন অ্যাফেয়ার্স কমিটির সদস্যদের অনেকেই বলছেন, তিনি দায়ী। অনেক সদস্য এ প্রতিবেদকের কাছে এও বলেছিলেন, যে বিষয়টি তারা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছেন। অথচ সেই সমস্যার পেছনে আমীর খসরুর অবদান সম্পর্কে কোনও তথ্যই নেই কারও কাছে। এ বিষয়ে আমীর খসরুকে কয়েকবার কল দেওয়া হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

বিএনপি নেতা ও সাবেক সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী
আমীর খসরু ২০০৪ সালে বাণিজ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলে ওই পদে আসেন এয়ার ভাইস মার্শাল অব. আলতাফ হোসেন চৌধুরী। রবিবার বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, ‘ওই সব নিয়ে কোনও আইডিয়া নেই। চীনের সঙ্গে বাণ্যিজ্য সম্পর্ক জোট সরকারের সময়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। আজকের যে সম্পর্ক, তা তো একদিনে হয়নি। দিনে-দিনে প্রসারিত হয়েছে। জিয়াউর রহমান সরকারের সময়ে যাত্রা শুরু হয়েছে। তবে মওলানা ভাসানী চীন সম্পর্কের ক্ষেত্রে মূলব্যক্তি ছিলেন।’
বিএনপির বিদেশবিষয়ক কমিটির একাধিক সদস্য মনে করেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও চীন থেকে প্রত্যাশা ছিল অনেক। নির্বাচনের আগে দেশটির অনেক কর্মকর্তারাও বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে মুখ খুলেছেন। তাইওয়ান কনসুল খোলাকে কেন্দ্র করে যে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছিল, তা থেকে বেরুতে হবে বিএনপিকে–এমন পরামর্শ তাদের। বিএনপির রাজনীতির ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, চীনের সঙ্গে সম্পর্কের বিবেচনায় বিএনপি এখনও পিছিয়ে আছে। এমন ঘাটতি কাটিয়ে ওঠতে হবে।
বিশ্লেষকদের ভাষ্য, জিয়াউর রহমান সরকারের সময়ে পৃথিবীব্যাপী বাংলাদেশ রাষ্ট্রের যে সুসম্পর্কগুলো তৈরি হয়েছে, খালেদা জিয়ার দুই আমলে তা হয়নি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক শামছুল আলম বলছেন, ‘চীনের সঙ্গে বিএনপির আগে যে ভালো সম্পর্ক বিদ্যমান ছিল সেটা পুনরুদ্ধার জরুরি। আর কেন চীনের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হয়েছে, আর চীন কেন বিএনপিকে ভালোভাবে নিচ্ছে না সেটিও খুঁজে বের করা দরকার।’
অধ্যাপক শামসুল আলমের পরামর্শ, ‘বিএনপির বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানসহ যারাই বিদেশে রয়েছেন তাদের কূটনীতি সম্পর্কে আরও জোর দেওয়া দরকার।’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শামসুল আলম
তিনি মনে করেন, ‘জিয়াউর রহমানের সময়ই বিএনপির পররাষ্ট্রনীতি ভালো অবস্থায় ছিল। তিনি সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে সমন্বয় রেখে পরিচালনা করেছেন। তবে খালেদা জিয়ার সময়ে দ্বিতীয় মেয়াদে এসে পররাষ্ট্রনীতির বিপর্যয় ঘটে। এই সময়ে বহির্বিশ্বে বিভিন্ন পরিবর্তন ঘটে–যা বিএনপি গুরুত্ব দেয়নি। এর কারণে বিএনপির পররাষ্টনীতির বর্তমানে এই অবস্থা।’
বিএনপি কি ভারতমুখী হচ্ছে এমন প্রশ্নে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষকের ভাষ্য,  ‘বিএনপি চেষ্টা করছে তাদের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের। সে ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু বিএনপিকে তো ভারত ভালোভাবে নিচ্ছে না। সেক্ষেত্রে নিজেদের নীতি বিসর্জন না দিয়ে যতটুকু সম্পর্ক গড়ে তোলা যায় সেটার জন্য চেষ্টা করা যেতে পারে। আর সেদিক দিয়ে ভালো সাড়া না পেলে বিএনপিকে ভারতের বিকল্পও চিন্তা করা দরকার বলে আমি মনে করি।’
তবে বিএনপির ফরেইন অ্যাফেয়ার্স কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান ইনাম আহমেদ চৌধুরী মনে করেন, ‘চীনের দূতাবাস বা দেশটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে তো কথাবার্তা হয়েছে। আমি তো কোনও আঁচ পাইনি যে বিএনপিকে চীন ভিন্নভাবে দেখছে। এখনও পাইনি।’

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার নওশাদ জমির
বিএনপির আন্তর্জাতিক সম্পাদক ব্যারিস্টার নওশাদ জমির বলেন, ‘‘চীনের সঙ্গে আরও গভীরভাবে সম্পর্ক তৈরি করার জন্য বিএনপির চীন-দৃষ্টিভঙ্গিই সবচেয়ে বড়। বিএনপি ‘ওয়ান চায়না প্রিন্সিপালে’(এক চীন নীতি) এবং আওয়ামী লীগ ‘ওয়ান চায়না পলিসি’তে বিশ্বাস করে।  সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ‘ওয়ান চায়না প্রিন্সিপালে বিশ্বাস করতেন।’’ আর ‘এই নীতির কারণেই চীনের কাছে বিএনপি গুরুত্বপূর্ণ–এমন বিশ্বাস এই নেতার।
আরও পড়ুন:


বিএনপির বিদেশনীতিতে অগ্রাধিকার পাচ্ছে চীন 

বদলে যাচ্ছে ভারতবিরোধী অবস্থান

 

 

 

/টিএন/
সম্পর্কিত
আইভির মিষ্টি খেয়েই বিএনপি থেকে বাদ তৈমুর?
আইভির মিষ্টি খেয়েই বিএনপি থেকে বাদ তৈমুর?
প্রস্তাবিত নির্বাচন কমিশন আইন ‘সান্ত্বনা পুরস্কার’: আ স ম রব
প্রস্তাবিত নির্বাচন কমিশন আইন ‘সান্ত্বনা পুরস্কার’: আ স ম রব
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দল
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দল
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি যারা
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি যারা

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
আইভির মিষ্টি খেয়েই বিএনপি থেকে বাদ তৈমুর?
আইভির মিষ্টি খেয়েই বিএনপি থেকে বাদ তৈমুর?
প্রস্তাবিত নির্বাচন কমিশন আইন ‘সান্ত্বনা পুরস্কার’: আ স ম রব
প্রস্তাবিত নির্বাচন কমিশন আইন ‘সান্ত্বনা পুরস্কার’: আ স ম রব
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দল
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দল
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি যারা
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি যারা
ক্ষমতায় গেলে গুমের ঘটনা গুনে গুনে বিচার করবো: মান্না
ক্ষমতায় গেলে গুমের ঘটনা গুনে গুনে বিচার করবো: মান্না
© 2022 Bangla Tribune