ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সম্মেলনের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে কিনা, তা আবারও জানতে চেয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। রবিবার (৩ অক্টোবর) সকালে জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর দুই অংশের নেতাদের কাছে সম্মেলনের প্রস্তুতির কথা জানতে চান তিনি।
ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান এ কথা স্বীকার করে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘গত অক্টোবরের মাঝামাঝি সম্মেলনের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন ওবায়দুল কাদের। এরই ধারাবাহিকতায় আজ তিনি জানতে চান, আমরা সম্মেলনের জন্য প্রস্তুত কিনা।’
সাদেক খান আরও বলেন, ‘আমাদের প্রস্তুতি আছে জানালে তিনি বলেন, সম্মেলনের তারিখ দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেবেন। তবে, সেই তারিখ ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের আগেই হতে পারে।’
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ বলেন, তার কাছেও সম্মেলনের প্রস্তুতি নিয়ে জানতে চেয়েছিলেন ওবায়দুল কাদের। তাদের প্রস্তুতি আছে জানানোর পর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, গত রাতে (শনিবার) নেত্রী এ নিয়ে জানতে চেয়েছেন। ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের যেকোনও দিন সম্মেলনের তারিখ হিসেবে চূড়ান্ত হতে পারে।
প্রসঙ্গত, আগামী ২০-২১ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলন। প্রথা অনুযায়ী কেন্দ্রীয় সম্মেলনের আগে ঢাকা মহানগরের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ২০১২ সালের ২৭ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন হয়। এর ৩ বছর পর ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগকে দুই ভাগে বিভক্ত করে ২০১৬ সালের ১০ এপ্রিল মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তর ও দক্ষিণ, ৪৫টি থানা, ১০০টি ওয়ার্ড ও ইউনিয়নগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের নাম ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।
সেসময় ঢাকা মহানগর উত্তরে আওয়ামী লীগের এ কে এম রহমতুল্লাহকে সভাপতি ও সাদেক খানকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। দক্ষিণের সভাপতি হন আবুল হাসনাত ও সাধারণ সম্পাদক হন শাহে আলম মুরাদ।
প্রসঙ্গত, ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তারিখ দেখে ক্ষমতাসীন দলের গুরুত্বপূর্ণ এই দুই শাখার সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করার কথা কয়েকদিন আগে জানিয়েছিলেন ওবায়দুল কাদের।








