আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা কোনও দুর্ঘটনা ছিল না। এদিন তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এটি ছিল পরিকল্পিত রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস। বিএনপি সেদিন রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে শেখ হাসিনাকে হত্যা করার চেষ্টা করে। হত্যার সব চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে তদন্ত ও বিচারকাজে বাধা দেয়। আলামত নষ্ট করে। এফবিআই ও স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডকে তদন্তে আসতে দেয়নি। জজ মিয়া নাটক সৃষ্টি করে মামলা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করে। বিচারতো করেইনি, বরং শেখ হাসিনা ভ্যানিটি ব্যাগে করে ওই গ্রেনেড নিয়ে গিয়েছিলেন বলে উপহাস করে।’
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা দিবস উপলক্ষে ছাত্রলীগ আয়োজিত স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি। আজ শনিবার (২২ আগস্ট) ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে তিনি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত হন। ১৫ আগস্ট ও ২১ আগস্ট একই সূত্রে গাঁথা বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন।
কাদের বলেন, ‘এ কথা আজ প্রমাণিত যে, সততা ও দেশপ্রেমের মূর্ত প্রতীক শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা আছেন বলেই বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। সংকটে-দুর্যোগে পরীক্ষিত এক মানবিক নেত্রী শেখ হাসিনা। আর তাকেই তারা বারবার হত্যার চেষ্টা করছে। খালেদা জিয়ার ছেলে কোকোর মৃত্যুর পর প্রধানমন্ত্রী সাক্ষাৎ করতে গেলে তাকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। গণভবনে সংলাপে দাওয়াত দিতে গেলে ফোনে খালেদা জিয়া গালাগালি করেছিলেন।’
ছাত্রলীগের ঐতিহ্যময় ইতিহাস তুলে ধরে সংগঠনটির সাবেক এ সভাপতি বলেন, ‘সংগ্রামের মহিমায় ছাত্রলীগ উজ্জ্বল। মুক্তিযুদ্ধে ও দেশ গঠনে এর ভূমিকা অপরিসীম। একইভাবে সংগঠনটির করোনাকালেও দেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।’








