বিএনপি ষড়যন্ত্র করে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে চায় উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু বলেছেন, আমরা তাদের বলে দিতে চাই— এ দেশে সাংবিধানিক ধারা অব্যাহত থাকবে। এর বাইরে অসাংবিধানিক ধারা ও পন্থা চলবে না।
বুধবার (২ আগস্ট) বিকালে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে ‘বিএনপির অগ্নিসন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রতিবাদে’ ১৪ দলের এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
দেশের অগ্রগতি বিএনপির সহ্য হচ্ছে না মন্তব্য করে আমির হোসেন আমু বলেন, যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল, যারা দেশের উন্নয়নের চাকা ঘুরিয়ে দিয়ে নব্য পাকিস্তান বানানোর পাঁয়তারা করেছিল, সেই চক্রান্ত বর্তমানে তারা আবারও করছে। গণতন্ত্র ও নির্বাচনের নামে বিভিন্ন ধুয়া তুলে নির্বাচনি গণতান্ত্রিক ধারাকে ব্যাহত করার চক্রান্ত চলছে। এই ষড়যন্ত্র-চক্রান্তের বিরুদ্ধে আমাদের এক হতে হবে।
তিনি বলেন, ছাত্র-যুবক-জনতাসহ সবাই ঐক্যবদ্ধ থেকে যেমন বিগত নির্বাচনগুলোতে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠন করেছে। একইভাবে আগামী দিনেও সবাই ঐক্যবদ্ধ থেকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠন করবে।
সমাবেশে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ঢাকায় এসে কাদের সঙ্গে আলাপ করলো? হ্যাঁ, বুঝলাম তারা আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির সঙ্গে আলাপ করেছে। কিন্তু তারা নিবন্ধনবিহীন জামায়াতের সঙ্গে আলাপ করেছে।
মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে তিনি বলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূত কমিশনে গিয়ে নির্বাচন কমিশনারের কাছে যেন জবাবদিহি করেছেন। তার প্রশ্নে মনে হয়েছে যেন প্রভু এসেছেন আমাদের দেশে। বিএনপি জনগণকে জিম্মি করে ক্ষমতায় আসতে চায়। সে জন্য তারা প্রভু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওপর নির্ভর করছে।
সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া বলেন, মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের ওপর নির্ভর করে ক্ষমতায় আসতে চায় বিএনপি-জামায়াত। তারা মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে এ দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।
জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার শিরীন আখতার বলেন, সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বেই নির্বাচনকালীন সরকার থাকবে, আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেই লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ থেকে বিএনপি-জামায়াতের ষড়যন্ত্রকে রুখে দিতে হবে।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন- গণতান্ত্রিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন, গণতান্ত্রিক মজদুর পার্টির সভাপতি জাকির হোসেন, গণ আজাদী লীগের সভাপতি এস কে সিকদার, বাসদের আহ্বায়ক রেজাউর রশিদ খান, ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী ফারুক, জাতীয় পার্টি জেপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল খায়ের সিদ্দিকী আবু প্রমুখ।









