বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন রয়টার্সকে বলেছেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা হওয়ায় বাংলাদেশ সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ বিবেচনা করতে পারে।
এমন পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনা কী ভারতে বা অন্য কোনও দেশে রাজনৈতিক আশ্রয় চাইবেন?
এ প্রশ্নের জবাবে সিলেট সিটি করপোরেশনের সদ্য সাবেক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর কাছে জানতে চাইলে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চাননি।
তবে যুক্তরাজ্য যুবলীগের সিনিয়র নেতা জামাল আহমেদ খান প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি শেখ হাসিনা ভারত বা অন্য কোনও দেশে রাজনৈতিক আশ্রয় চাইবেন না। তিনি অন্তবর্তীকালীন কিছু সময়ের জন্য ভিসা চাইতে পারেন।
অন্য একটি সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ সরকার শেখ হাসিনার কূটনৈতিক পাসপোর্ট বাতিল করলেও তার সঙ্গে অন্য একটি বাংলাদেশি পাসপোর্ট আছে। সেই পাসপোর্টেই ভিসা আবেদনের জন্য ব্যবহার করবেন তিনি। তবে এই নবায়িত পাসপোর্টটির ব্যাপারে আর কোনও তথ্য জানা যায়নি।
যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ শনিবার এক প্রশ্নের জবাবে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, শেখ হাসিনার সঙ্গে এ কয়দিনে কোনও যোগাযোগ হয়নি।
উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে বোন শেখ রেহানাসহ ভারতে যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন।









