বিচার, সংস্কার ও নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশে জবাবদিহিমূলক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই সুযোগকে নষ্ট না করে ঐক্য ও সংযম বজায় রাখতে হবে।
শনিবার (১২ জুলাই) জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে ‘গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র পরিষদ’-এর আয়োজনে আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
আলোচনায় জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রিয়াজ বলেন, ‘রাষ্ট্রক্ষমতা দেশ পরিচালনার ম্যান্ডেট, স্বেচ্ছাচারিতা চালানোর লাইসেন্স নয়।’ তিনি নির্বাহী বিভাগকে প্রাতিষ্ঠানিক নজরদারির আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, “গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশকে অনেকে 'গনিমতের মাল' মনে করছে।” তিনি দল-মতের ঊর্ধ্বে থেকে মব সন্ত্রাস ও লুম্পেন রাজনীতির বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু, ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, বাসদের রাজেকুজ্জামান রতন, জেএসডির শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আব্দুল মজিদ আতাহারী, মাসুদ রানা, আকবর খান ও অ্যাডভোকেট ফায়েজুর রহমান মনির প্রমুখ।
সভাপতিত্ব করেন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র পরিষদের আহ্বায়ক শেখ আবদুন নূর। আলোচনা সভার শুরুতে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।








