‘দুর্নীতিবাজরা রঙিন স্বপ্ন দেখিয়ে জনগণকে চতুর্থ আসমানে পৌঁছে দিচ্ছে’

রংপুর প্রতিনিধি
২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:১৩আপডেট : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:১৩

দুর্নীতিবাজদের কথা বিশ্বাস না করার আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “তাদের কোনও দিন বিশ্বাস করবেন না। এরা নির্বাচনে রঙিন স্বপ্ন দেখিয়ে মজার মজার কথা বলে জনগণকে চতুর্থ আসমানে পৌঁছে দিচ্ছে। এরা ধোঁকাবাজ, এদের চিনে রাখেন। এদের ইয়েস বলবেন না, লালকার্ড দেখাবেন।”

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) রাতে রংপুর পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে জামায়াতসহ ১০ দলের আহ্বানে জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াতের আমির বলেন, “আমরা সাম্যের বাংলাদেশ চাই। চাঁদাবাজ মুক্ত, দখলবাজ মুক্ত ও আধিপত্যবাদ মুক্ত বাংলাদেশ চাই। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে যারা বলেছিলো, ওই ওয়ান্ট জাস্টিস। সেই ন্যায় বিচারের বাংলাদেশ চাই। যারা এখন দেশ গড়ার কথা বলছে, তাদের নিজেদের চরিত্র দিয়ে প্রমাণ করতে হবে তারা এই কাজের উপযুক্ত।”

১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের বিজয়ী করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরা বিজয়ী হলে ইনসাফের বাংলাদেশ উপহার দেবো।” ডা. শফিকুর আরও বলেন, “দেশ দু’বার স্বাধীন হলেও সত্যিকার স্বাধীনতা দেশের নাগরিকরা পায়নি। দুর্নীতি-দুঃশাসন জাতিকে সর্বহারা জাতিতে পরিণত করেছে। আওয়ামী লীগ বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর আর কানাডা বানাতে চেয়েছিলো, তারা করতে পেরেছে, পারেনি। তারা দেশের টাকা লুট করে ব্যাংকগুলো খালি করে সিঙ্গাপুরে বড় বড় ব্যবসা খুলে বসেছে। তারা এখন দেশ থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। কোথায় লুকাবেন সেই মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছেন। সুপ্রিমকোর্টের এক বিচারপতি অনেক বড় বড় কথা বলেছেন। তিনি পালিয়ে গিয়ে কলা পাতায় শুয়ে ছিলেন। সেই জন্য আমরা বলি, অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি কারও জন্য মঙ্গল বয়ে আনে না।”

ক্ষমতায় গেলে রংপুর অঞ্চলের মানুষের স্বপ্নের তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে জানিয়ে জামায়াতের আমির বলেন, “কৃষি ভিত্তিক শিল্প কারখানা স্থাপন করা হবে। এতে করে বেকার সমস্যা সমাধান হবে। নতুন নতুন শিল্প কারখানা স্থাপন করা হবে।”

এর আগে রাত সাড়ে ৭টার দিকে সভা স্থলে পৌঁছান জামায়াতের আমির। ওই সময় হাজার হাজার জনতা তাকে স্বাগত জানান। সভায় তিনি পাঁচ জামায়াত প্রার্থী ও এনসিপি প্রার্থী আকতার হোসেনকে পরিচয় করিয়ে তাদের ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

/এবিএম/
সম্পর্কিত
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
ইসলামী ব্যাংক নিয়ে টানাটানির সুযোগ দেওয়া হবে না: শফিকুর রহমান
বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির নিন্দা জামায়াতের, বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ
সর্বশেষ খবর
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী