তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে অতীতের ‘তিক্ত অভিজ্ঞতা’, এবার কোন পথে বিএনপি?

এস এম আব্বাস ও মহসীন কবির
২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০০:০১ আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০০:০৭

নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের পক্ষে ক্ষমতাসীন বিএনপি। তবে সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপতি ও বিচার বিভাগকে যুক্ত করার বিষয়ে দলটির আপত্তি রয়েছে। এ অবস্থায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান নিয়োগ ও সরকার গঠনের বিকল্প পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করছে জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন বিষয়ক বিশেষ কমিটি। আলোচনায় এসেছে সংসদের উচ্চকক্ষ, স্পিকার এবং সরকার ও বিরোধী দলের সম্মতির ভিত্তিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রস্তাব। তবে কোন পদ্ধতিতে এই সরকার গঠন করা হবে, সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

আগামী জাতীয় নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে করার পক্ষে বিএনপি। দলটির নির্বাচনি ইশতেহারেও অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে স্থায়ী সাংবিধানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার অঙ্গীকার রয়েছে। কিন্তু সরকারপ্রধান নিয়োগের প্রক্রিয়ায় জুলাই জাতীয় সনদের কয়েকটি প্রস্তাবে দলটির আপত্তি রয়েছে। অতীতের নির্বাচনকালীন সরকার গঠন নিয়ে রাজনৈতিক বিরোধ ও সংকটের অভিজ্ঞতার মধ্যে এবার কোন পদ্ধতিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনতে চায় বিএনপি, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

সংবিধান সংশোধন বিষয়ক বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের গঠনপ্রক্রিয়া, কর্মপরিধি ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তবে কোনও সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের গঠন প্রক্রিয়া এবং তার কর্মপরিধি ইত্যাদি নিয়ে বিস্তারিত আলাপ হয়েছে।’

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আলোচনায় বিভিন্ন বিকল্প প্রস্তাব এসেছে। এর মধ্যে উচ্চকক্ষ গঠিত হলে সেটিকে কেন্দ্র করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া রাখা যায় কিনা, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। উচ্চকক্ষ থাকলে এর মধ্যেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের ব্যবস্থা রাখা যায় কিনা, এমন প্রস্তাবও এসেছে।

উচ্চকক্ষের স্পিকারকে প্রধান করার প্রস্তাব

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, উচ্চকক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্টের পদ সৃষ্টি করে তাকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দায়িত্ব দেওয়ার একটি প্রস্তাব এসেছে। বিকল্প হিসেবে সরকার ও বিরোধী দলের সম্মতিতে নির্বাচিত স্পিকারকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করার বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে।

সরকার ও বিরোধী দলের সম্মতিতে স্পিকার নির্বাচিত হলে তাকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দায়িত্ব দেওয়া যায় কিনা, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। স্পিকার ছাড়া অন্য প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিদের সরকার ও বিরোধী দলের সম্মতিতে উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগের বিধান রাখা যায় কিনা, সে বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘অনেকের মতামত এটাও বিবেচনা করা যায়।’

এসব প্রস্তাবের কোনোটিই এখনও চূড়ান্ত হয়নি। সব প্রস্তাব পর্যালোচনা করে কমিটির প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে সবার লিখিত মতামতও চাওয়া হয়েছে।

জুলাই জাতীয় সনদের প্রস্তাবে বিএনপির আপত্তি

জুলাই জাতীয় সনদে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্যের একটি প্যানেল গঠনের প্রস্তাব রয়েছে। এতে প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা, স্পিকার, বিরোধী দলের ডেপুটি স্পিকার এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম বিরোধী দলের একজন প্রতিনিধিকে রাখার কথা বলা হয়েছে। প্যানেল ঐকমত্যে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে পরবর্তী ধাপে বিচার বিভাগের প্রতিনিধিদের যুক্ত করে বিকল্প পদ্ধতিতে প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের প্রস্তাবও রয়েছে।

তবে রাষ্ট্রপতি ও বিচার বিভাগকে সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় যুক্ত করার বিষয়ে বিএনপি ভিন্নমত জানিয়েছে। ঠিক কোন বিকল্প পদ্ধতিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান ও উপদেষ্টাদের নিয়োগ দিতে চায় দলটি, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বিএনপির চূড়ান্ত প্রস্তাব এবং বিশেষ কমিটির সুপারিশ সামনে এলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিএনপি মনে করে, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু বিগত আওয়ামী লীগ সরকার এই প্রক্রিয়াটি বাতিল করে দেশের নির্বাচনি পদ্ধতিকে একেবারেই ধ্বংস করে গেছে। তাই জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় আবারও তত্ত্বাবধায়ক পদ্ধতিতে নির্বাচনের বিষয়ে সরকার আন্তরিক। তবে বিএনপি কোন প্রক্রিয়ায় এটি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে চায়, তা এখনই চূড়ান্তভাবে বলা সম্ভব নয়।’

সরকার সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমেই এ প্রক্রিয়ায় এগোতে চায় বলে জানান সেলিমা রহমান। তিনি বলেন, ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে প্রয়োজনে অংশীজনদের সঙ্গে আরও আলোচনা হতে পারে।’

তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে অতীতের অভিজ্ঞতা

নির্বাচনকালীন সরকার গঠন, প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগ এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্যের প্রশ্নে বিএনপির অতীত অভিজ্ঞতা বারবার সামনে এসেছে। ১৯৯১ সালে নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিএনপি সরকার গঠন করে। এরশাদ সরকারের পতনের পর বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে যে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব পালন করেছিল, সেটি রাজনৈতিক সমঝোতার ভিত্তিতে গঠিত হয়েছিল। তখনও সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

১৯৯৪ সালের ২০ মার্চ মাগুরা-২ আসনের উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচনব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ ও আন্দোলন জোরালো হয়। আওয়ামী লীগসহ বিরোধী দলগুলো নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানায়। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি প্রধান বিরোধী দলগুলোর বর্জনের মধ্যে ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

ওই নির্বাচনের পর ১৯ মার্চ খালেদা জিয়া দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। রাজনৈতিক সংকটের মধ্যে ২৬ মার্চ সংসদে ত্রয়োদশ সংশোধনী পাস হয়। ৩০ মার্চ খালেদা জিয়া পদত্যাগ করেন এবং বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব নেয়। ওই সরকারের অধীনে ১২ জুনের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয়ী হয়।

২০০১ সালের ১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট জয়ী হয়। বিচারপতি লতিফুর রহমানের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ওই নির্বাচনের পর ১০ অক্টোবর খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে নতুন সরকার দায়িত্ব নেয়। পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকার পর ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর বিএনপি সরকারের মেয়াদ শেষ হয়।

এরপর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান নিয়োগ নিয়ে রাজনৈতিক বিরোধ তীব্র হয়। রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ নিজেই প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেওয়ার পর সংকট আরও গভীর হয়। ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। পরদিন ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে নতুন তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব নেয়। ওই সরকারের অধীনে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

বিএনপির এই তিন পর্যায়ের ক্ষমতার অভিজ্ঞতায় নির্বাচনকালীন সরকার গঠন, প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগ এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্যের প্রশ্ন বারবার সামনে এসেছে। এবার তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহালের উদ্যোগে সেই অভিজ্ঞতার আলোকে বিকল্প কাঠামো নির্ধারণের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

২০১৩ সালে খালেদা জিয়ার প্রস্তাব

তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনে বিএনপির একটি নির্দিষ্ট প্রস্তাব প্রকাশ্যে এসেছিল ২০১৩ সালে। তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টাদের মধ্য থেকে ১০ জনকে নিয়ে নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এতে সরকারপক্ষ পাঁচজন ও বিরোধী দল পাঁচজনকে মনোনীত করবে এবং দুই পক্ষের সম্মতিতে একজনকে প্রধান উপদেষ্টা করার কথা বলা হয়েছিল।

২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দেওয়া ওই প্রস্তাব ছিল রাজনৈতিক সমঝোতার উদ্যোগ। এটি বিএনপির বর্তমান ফর্মুলা নয়। তবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনে দলটির অতীতের বিকল্প প্রস্তাবের একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির।

এবার কোন পথে বিএনপি?

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান নিয়োগে ঐকমত্য না হলে বিকল্প পদ্ধতি কী হবে, উপদেষ্টাদের নিয়োগ কীভাবে হবে, সরকারের মেয়াদ কত দিন থাকবে এবং নির্বাচন আয়োজনের বাইরে সরকারের ক্ষমতা কতটুকু থাকবে; এসব প্রশ্নের স্পষ্ট সমাধান প্রয়োজন।

বিশেষ কমিটির আলোচনায় উচ্চকক্ষ, স্পিকার এবং সরকার ও বিরোধী দলের সম্মতির ভিত্তিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের যে বিকল্পগুলো এসেছে, সেগুলো এখনও প্রস্তাবের পর্যায়ে রয়েছে। বিএনপি কোন পদ্ধতিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করতে চায়, তা নিয়েও চূড়ান্ত প্রস্তাব সামনে আসেনি।

বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের পক্ষে থাকলেও সরকারপ্রধান নিয়োগের প্রক্রিয়া নিয়ে দলটির আপত্তি এবং অতীতের অভিজ্ঞতা নতুন কাঠামো নির্ধারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ কমিটির চূড়ান্ত সুপারিশ ও বিএনপির অবস্থান স্পষ্ট হলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের নতুন পদ্ধতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে।

/ইউএস/এমওএফ/
সম্পর্কিত
বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়ে নাটক শুরু করেছে: আখতার হোসেন
সারের ৯৮ ডিলারের ৬৫ জনই বিএনপির, তালিকায় নেতাদের মা-স্ত্রী-সন্তান
‘আমার মেয়াদ ২০২৯ সাল পর্যন্ত’ বলা শাহাদাত এবার চট্টগ্রাম সিটির প্রশাসক
সর্বশেষ খবর
জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী
জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী
রাজনীতি নিয়ে মতের অমিল, একাকিত্ব বাড়ছে তরুণদের?
রাজনীতি নিয়ে মতের অমিল, একাকিত্ব বাড়ছে তরুণদের?
‘আমার মৃত্যুর জন্য ইউএনও দায়ী থাকবে’ বলা এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার
‘আমার মৃত্যুর জন্য ইউএনও দায়ী থাকবে’ বলা এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার
ভোটের আগে ট্রাম্পের প্রকাশ্য সমর্থন চেয়ে নেতানিয়াহুর আকুতি
ভোটের আগে ট্রাম্পের প্রকাশ্য সমর্থন চেয়ে নেতানিয়াহুর আকুতি
সর্বাধিক পঠিত
জাপানে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হচ্ছেন কারা
জাপানে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হচ্ছেন কারা
২৪ ঘণ্টার মধ্যে এমপি নাহিদ ইসলাম পদত্যাগ করবেন, আশা করেন রাশেদ খাঁন
২৪ ঘণ্টার মধ্যে এমপি নাহিদ ইসলাম পদত্যাগ করবেন, আশা করেন রাশেদ খাঁন
ঋতুস্রাবের সময় বিজয়ের সেবাযত্নের প্রশংসায় রাশমিকা
ঋতুস্রাবের সময় বিজয়ের সেবাযত্নের প্রশংসায় রাশমিকা
‘শুধু একটা স্নাইপারের অভাব ছিল’-কমেন্ট কেন করেছিলেন, আদালতকে জানালেন সেই যুবক
‘শুধু একটা স্নাইপারের অভাব ছিল’-কমেন্ট কেন করেছিলেন, আদালতকে জানালেন সেই যুবক
একসঙ্গে ২৫ জেলে আটক, ৮০ কেজি ইলিশ গেলো এতিমখানায়
একসঙ্গে ২৫ জেলে আটক, ৮০ কেজি ইলিশ গেলো এতিমখানায়