দীর্ঘ পাঁচ বছর পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ছাত্রলীগের হল সম্মেলন। এই সম্মেলনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়টির ১৮টি হলে নতুন নেতৃত্ব পাবে ছাত্রসংগঠনটি।
আজ রবিবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে হল সম্মেলন শুরু হয়। এরপর দলীয় সঙ্গীত ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করা হয়। এসময় নিজ নিজ হলের নাম খচিত পতাকা উত্তোলন করেন ১৮টি হল ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকেরা।
সম্মেলনকে ঘিরে হলের প্রার্থী ও নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। সম্মেলনকে ঘিরে সাজানো হয়েছে টিএসসি চত্বর।
উদ্বোধনী বক্তব্যে ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাস বলেন, ছাত্রলীগ নেতা হওয়ার জন্য রাজনীতি করে না, তারা বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশনেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য রাজনীতি করেন। সবাই দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে নেবেন বলে আমার বিশ্বাস। তাদের মনক্ষুণ্ন হওয়ার কিছু নেই। যারা হল নেতৃত্বে আসবে না, তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্ব, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আসবে।’
ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বলেন, সজীব ওয়াজেদ জয়ের স্বপ্ন পূরণে আগামীতে গুগল, মাইক্রোসফটের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবে ছাত্রলীগ। আগামীতে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের সিইও হবে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
সম্মেলনে প্রধান অতিথি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়ায়দুল কাদের, এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে রয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক এবি এম মোজাম্মেল হক, ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য। এছাড়াও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয়, বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন হল শাখা ছাত্রলীগের নেতা ও পদপ্রার্থী ছাত্রলীগ নেতারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত আছেন।









