আকবর আলি খানের বর্ণাঢ্য একটা জীবন ছিল উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, ‘তাকে (আকবর আলি খান) সমগ্র জাতি চিনতো না, সবাই তাকে চিনতে পেরেছে, জানতে পেরেছে ২০০৬ সালে তথাকথিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে।’
শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে ড. আকবর আলি খানের স্মরণে আয়োজিত শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সংসদ সদস্য র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর সভাপতিত্বে শোক সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. খলিলুর রহমানের, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য এবাদুল করিম প্রমুখ।
শোক সভায় যোগ দিয়ে সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সেই সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সমর্থন করেছিলাম। আমরাও আন্দোলন করেছি। আমরা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সমর্থন করেছিলাম, তখন দেশের শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা থেকে জনগণকে উদ্ধার করার জন্য।’
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কফিনে বিএনপি তখন শেষ পেরেক ঠুকে দিয়েছিল মন্তব্য করে কামরুল ইসলাম বলেন, ‘তাদের (বিএনপি) লজ্জা হয় না। আমরা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপ দেখেছি। তাই মানুষ এখন আর সেটি চিন্তাই করতে পারে না।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি তখন বয়স বাড়িয়ে প্রধান বিচারপতিকে (কে এম হাসান) তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করতে চেয়েছিল। কিন্তু তিনি রাজি হননি। সেই সময় আকবর আলি খান দৃঢ়চেতা হওয়ায় তিনি এবং সুলতানা কামাল তত্ত্বাবধায়ক সরকার থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন।’
আকবর আলি খান নিজ দায়িত্বে মুক্তিযুদ্ধের সময় হাতে অস্ত্র তুলে নিয়েছিলেন উল্লেখ করে অ্যাডভোকেট কামরুল বলেন, ‘তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সেই সময়ে বাংলাদেশ সরকারের ট্রেজারে ৩ কোটি টাকা জমা দিয়েছিলেন।'









