বিজয়ের মাসকে কলঙ্কিত করার জন্যই বিএনপি ১০ ডিসেম্বরকে টার্গেট করেছে বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ। তিনি বলেন, দেশের জনগণ বিএনপিকে আর ক্ষমতায় বসতে দেবে না। তারা একবার বলে রোজার ঈদের পরে, আরেকবার বলে কুরবানি ঈদের পরে, এখন আবার তারিখ দিয়েছে ডিসেম্বর মাস। ১০ ডিসেম্বর রাজপথে নামা তো দূরের কথা, তারা বাসা থেকেই বের হবেন না।
শনিবার (১৫ অক্টোবর) বিকালে নয়াপল্টন (জামাতখানা) ঢাকা মহানগর দক্ষিণের অন্তর্গত পল্টন থানা ও ১৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মন্নাফী। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ ও উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন।
জনগণের ওপর বিএনপির কোনও আস্থা নেই মন্তব্য করে হানিফ বলেন, নৌকার বিজয় কারও পক্ষে ঠেকানো সম্ভব নয়। মানুষ দেশের সার্বিক উন্নয়নে এখন শেখ হাসিনার জয়গান করছেন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকায় ভোট দিয়ে আবারও শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য তারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।
হানিফ বলেন, যারা ক্ষমতায় থাকতে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে বিরোধীদলীয় নেত্রীকে হত্যার চেষ্টা করতে পারেন, তাদের মুখে গণতন্ত্রের কথা শোভা পায় না।
তিনি বলেন, তথাকথিত আন্দোলনে নামে সারাদেশে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে বিএনপি। তাদের ছত্রছায়ায় সন্ত্রাসীরা দেশের যে প্রান্তেই থাকুক, খুঁজে এনে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে। বিএনপির সন্ত্রাসীরা এতদিন ঘাপটি মেরে ছিল। এখন আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে।
হানিফ বলেন, মির্জা ফখরুলরা অসুর বধের কথা বলছেন, আসলে অসুর তো তারাই। ‘১০ ডিসেম্বর সরকার চলবে বিএনপির কথায়’ এমন বক্তব্যে দিয়ে বিএনপি নেতারা বিজয়ের মাসকে কলঙ্কিত করতে চাইছেন। বিজয়ের মাসকে টার্গেট করে দেশে অরাজকতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করছেন। তারা পাকিস্তানি পরাজিত শক্তিকে প্রতিষ্ঠিত করতেই আবার বাংলার স্বাধীনতার বিজয়ের মাসকেই বেছে নিয়েছে। কিন্তু বাংলার মাটিতে তা আর হতে দেওয়া হবে না।
পল্টন থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এনামুল হক আবুলের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্যে রাখেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো: হুমায়ুন কবির, সহ-সভাপতি আবদুস ছাত্তার মাসুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কাজী মোর্শেদ কামাল, কার্যনির্বাহী সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম সারোয়ার কবির, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক চৌধুরী সাইফুন্নবী সাগর, দফতর সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এফ এম শরিফুল ইসলাম প্রমুখ।









