বিএনপির জোট ধীরে ধীরে ছোট হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে সরকারদলীয় এমপি হাবিবে মিল্লাত। বুধবার (১১ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ অভিযোগ করেন।
বিএনপি ও তাদের সমমনা দলগুলোর যুগপৎ অবস্থান কর্মসূচির সমালোচনা করে হাবিবে মিল্লাত বলেন, ‘রাজধানীর বিজয়নগরে ১১ দলীয় জোট ৬৫ জনকে নিয়ে অবস্থান করেছে। এরমধ্যে তিন জন ছিল ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। বিএনপির আন্দোলন একদফা থেকে ২৭ দফায় এসেছে। সামনে তাদের ৭০-৮০ দফা হতে পারে। রাজনৈতিক জোট সবসময় ধীরে ধীরে বড় হয়। আর বিএনপির জোট ধীরে ধীরে ছোট হচ্ছে।’
ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘বিএনপি বলেছিল—১০ ডিসেম্বর থেকে দেশ চলবে তাদের কথায়। তারেক রহমানের নির্দেশে দেশ চলবে। কিন্তু তার কিছুই হয়নি। বরং ১১ ডিসেম্বর দেখা গেলো—বিএনপির সাত জন এমপি সংসদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। সরকারকে পদত্যাগ করাতে গিয়ে উল্টা তারাই পদত্যাগ করেছেন। তারা বিভিন্ন গণমাধ্যমে অভিযোগ করেছে, সংসদে তাদের কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়নি। তাহলে প্রশ্ন জাগে, গত চার বছর তারা কি আঙুল চুসেছে?’ তিনি বলেন, ‘এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোই বিএনপির কাজ।’
সরকারি দলের সংসদ সদস্য আবু জাহির বলেন, ‘বিএনপি এখন আবার নানা ষড়যন্ত্র করছে। মিথ্যা গুজব ছড়াচ্ছে যে দেশ শ্রীলঙ্কা হয়ে যাবে। ব্যাংকে টাকা নেই। অনেকে বুঝে না বুঝে ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নিচ্ছেন।’
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘এখন বাংলাদেশ মাছ, মাংস, ডিম, দুধ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ। একসময় এমন অবস্থা ছিল ভারত থেকে পশু না এলে কোরবানির সময় সংকট তৈরি হতো। এখন আর সে অবস্থা নেই।’
সরকারি দলের সংসদ সদস্য আব্দুস সোবহান মিয়া বলেন, ‘অপশক্তি আবার গণ-অবস্থানের নামে সরকারের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছে।’ তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আছেন বলেই দেশের মানুষ ভালো আছে। আওয়ামী লীগ যতবার ক্ষমতায় এসেছে, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছে। মানুষ বিশ্বাস করে—শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে দেশ ও দেশের মানুষ নিরাপদ থাকবে।’









