কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর মতো করেই আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তি দিয়েছেন। তিনি ফিরে না এলে আজকের বাংলাদেশ আমরা পেতাম কি না সেই প্রশ্ন থেকেই যায়। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও নীতিকে ধারণ করে দেশকে বর্তমানে বিশ্বের কাছে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করেছেন।
শনিবার (২০ মে) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে ‘আপনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন, আমাদের ফিরিয়ে দিয়েছে বঙ্গবন্ধুর উন্নয়ন ও শান্তির দর্শন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভার আয়োজন করে বঙ্গবন্ধু পরিষদ।
আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আজও বাংলাদেশ ও প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। দেশে নাকি নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না। দেশে নির্বাচন হবে সংবিধান অনুযায়ী। নির্বাচনের সব দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। এই সময় সরকার শুধু রুটিন কাজ করবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সব প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী চলবে।
আলোচনা সভায় মূল নিবন্ধ পাঠ করেন অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের বিশ্লেষণ করে আমি দেখেছি আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে যারা পাশে থাকে, সুসময়ে তাদের আওয়ামী লীগের পাশে রাখা হয় না। তাহলে তো ষড়যন্ত্র হবেই।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা যখন দেশে ফিরে এলেন, তখন রাজনীতিতে যুক্ত না থাকলেও এটা বুঝেছিলাম মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের চাকা আবারও চলবে। তিনি দেশে ফিরে এসেছিলেন বলেই স্বাধীনতার ও বাংলাদেশের চেতনা আবারও জাগ্রত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, শেখ হাসিনা যখন দেশে ফিরে এলেন, তখন প্রকৃতি ও মানুষ সাদরে গ্রহণ করে নিয়েছিল। তিনি সারা বাংলা ঘুরে ঘুরে মানুষের অধিকার ও বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার চেয়েছেন। শেখ হাসিনা তার কয়েকটি কাজের জন্য ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছেন। তার মধ্যে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার, বাংলাদেশের অভাবনীয় উন্নয়ন উল্লেখযোগ্য ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে পুনরায় পুনর্বাসন করা।
বঙ্গবন্ধু পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে রাজনীতি করে যাচ্ছেন। সে কারণেই তিনি ১৯৮১ সালের ১৭ মে স্বদেশে ফিরে প্রথম বক্তৃতায় বলেছিলেন, ‘আমি আপনাদের সামরিক শাসন থেকে মুক্তি দিতে এসেছি, আওয়ামী লীগের সভাপতি হতে আসিনি।’ নানা চড়াই-উতরাই পার হয়ে শেখ হাসিনা পথ হেঁটে যাচ্ছেন। তাই আগামীতে গণতন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে থাকতে দেশের মানুষকে শেখ হাসিনার পাশে থাকার আহ্বান জানাই।
আলোচনা সভায় বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতারাসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।








