আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, বঙ্গবন্ধু সবার সঙ্গে যোগাযোগ রেখে কাজ করেছেন। কোথাও কখনও তিনি এককভাবে সিদ্ধান্ত নেননি। যখনই তিনি কোনও কাজ করেছেন বুদ্ধিজীবীসহ অন্যান্য সেক্টরে যারা আছেন তাদের মতামত নিয়েছেন। সবার সঙ্গে আলোচনা করে স্থির ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত নিতেন। যার ফলে স্বাধীনতার মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার (৭ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে বঙ্গবন্ধু পরিষদ আয়োজিত ‘৬ দফা: বাঙালির মুক্তির সনদ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. দীপু মনি বলেন, ‘৬ দফা নিয়ে বঙ্গবন্ধুর অগাধ বিশ্বাস ছিল। যার ফলে ওই সময় অনেক রাজনীতিবিদ তাকে ৭০-এর নির্বাচনে অংশ নিতে বাধ সাধলেও তিনি নির্বাচনে বিজয় অর্জন করেন। ধারাবাহিক ও অত্যন্ত সুদৃঢ় আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা যুদ্ধে বিজয় ছিনিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছিলাম।’
তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে যেমন দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র কাজ করেছিল, তেমনই তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধেও একইভাবে ষড়যন্ত্র চলছে। তাই আমাদের আজ স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এমনকি আমাদের নেতৃত্বের প্রতিও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। বঙ্গবন্ধুর মতো আজকেও দেশের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক মুক্তি একমাত্র পথ শেখ হাসিনা।’
বঙ্গবন্ধু পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ‘নতুন প্রজন্মের কাছে ৬ দফার তাৎপর্য তুলে ধরতে হবে। কারণ বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা স্বাধীনতা আন্দোলনের এক দফায় পরিণত হয়েছিল। পরিণত হয়েছিল স্বাধীনতার মূলমন্ত্রে। এই শক্তি আমাদের স্বাধীনতার পথে নিয়ে গিয়েছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘এখন নানাভাবে ষড়যন্ত্র চলছে। সেই ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে হলে আমাদের সবাইকে ৬ দফার দীক্ষা নিতে হবে।’ পাশাপাশি আগামীর বাংলাদেশ গড়তে হলে স্বাধীনতার সপক্ষের সব শক্তিকে ৬ দফার শক্তিতে উজ্জীবিত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
আয়োজনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট সাংবাদিক, কলামিস্ট ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের প্রেসিডিয়াম সদস্য অজিত কুমার সরকার। আরও বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।
আলোচনা সভায় বঙ্গবন্ধু পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতারাসহ বিভিন্ন জেলার নেতা ও বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন।









