সংসদে দীর্ঘ অনুপস্থিতির জন্য ছুটি পেয়েছেন ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন। অসুস্থতার কারণে বর্তমানে সুইজারল্যান্ডে অবস্থান করা সরকারি দলের এই সংসদ সদস্য স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর কাছে ছুটি চাইলে সংসদ তা মঞ্জুর করে।
সংবিধানের বিধান ও সংসদের কার্যবিধি অনুযায়ী কোনও সংসদ সদস্য টানা ৯০ কার্যদিবস সংসদে বৈঠকে অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে তার সদস্য পদ বাতিল হয়ে যায়। তবে কোনও এমপি যদি যৌক্তিক কারণ দেখিয়ে স্পিকারের কাছে ছুটি চেয়ে আবেদন করতে পারেন। স্পিকার ওই চিঠি পাঠ করে সংসদে ভোটে দিয়ে সেটা অনুমোদন করাতে পারেন।
মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) সংসদের ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ছুটির আবেদন পাঠ করে শোনান সংসদের সভাপতির দায়িত্ব পালনকারী ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু। পরে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।
সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ১৭৯ (২) এ অনুসারে ২০২৩ সালের ৯ জুলাই থেকে পরবর্তী ৯০ বৈঠকের জন্য ছুটির জন্য ইমেইলে আবেদন করেন বলে জানান শামসুল হক টুকু। সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি অনুযায়ী এ ছুটির আবেদন সংসদে পাঠ করে শোনানো হয় এবং ভোটে দেওয়া হয়।
অতীতে প্রথম, নবম, দশম এবং চলতি অধিবেশনেও ছুটির জন্য কয়েকজন সংসদ সদস্য আবেদন করেছিলেন এবং সেটা সংসদ মঞ্জুর করেছিল বলে জানান ডেপুটি স্পিকার। তিনি সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের আবেদন বিবেচনায় নেওয়ার অনুরোধ করেন।
আবেদনে খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, অসুস্থাজনিত কারণে দীর্ঘদিন ধরে সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে পারছি না। উন্নত চিকিৎসার জন্য সুইজারল্যান্ডে অবস্থান করছি।
চিঠিতে তিনি ব্যাকপেইন, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, ব্লাড প্রেশারসহ নানা রোগে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন বলে জানান।
তিনি আরও জানান, চিকিৎসকদের পরামর্শে দীর্ঘ চিকিৎসা প্রয়োজন। এ জন্য গত ৯ জুলাই থেকে পরবর্তী ৯০ বৈঠকের জন্য ছুটি চান তিনি।
জানতে চাইলে খন্দকার মোশাররফ হোসেন সুইজারল্যান্ড থেকে মোবাইল ফোনে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ছুটির আবেদন করেছি। আমার শরীরের অবস্থা বেশি ভালো নয় এবং চিকিৎসা নিচ্ছি।









