শনিবার ও রবিবারের ঘটনার প্রেক্ষিতে সংলাপের পথ বিএনপি রুদ্ধ করে দিয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, সংলাপের পথ বিএনপি রুদ্ধ করে দিয়েছে৷ এখন আর সে সুযোগ নাই। আমরা আগ বাড়িয়ে সংলাপ নিয়ে কোনও চিন্তা-ভাবনা করছি না। আওয়ামী লীগ চায়, বিএনপি নির্বাচনে আসুক।
রবিবার (২৯ অক্টোবর) বিকালে ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
জামায়াত তাদের সমাবেশের পর সরকারকে ধন্যবাদ দিয়েছে৷ তাহলে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জামায়াতের কোনও আঁতাত হয়েছে কিনা— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, 'এই দেশের বাঘা বাঘা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করলো যে সরকার, সে সরকারের সততা নিয়ে আপনি প্রশ্ন তুললেন?'
নির্বাচনকালীন সরকারে বিএনপির কাউকে রাখা হবে কিনা, এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'ইলেকশন টাইমে যদি বাইরের কাউকে যুক্ত করাও হয়, তাহলেও নির্বাচিত প্রতিনিধিদের করবো। তাদের তো কোনও নির্বাচিত প্রতিনিধি নাই। পদত্যাগ করেছে৷'
ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা বলেছিলাম, আমরা থাকবো। আমি তো আছি। বিএনপি কোথায়? আন্দোলনে? তারা এখন ষড়যন্ত্রমূলক সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে৷ তারা তাদের দোসর জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে যা করেছিল, এখন সেই অন্ধকারের পথে তারা পুনরায় যাত্রা শুরু করবে। তারা গতকাল দেশ-বিদেশে সবাইকে জানিয়ে দিয়েছে। তাদের ভয়ংকর চেহারা উন্মোচন হয়েছে।
বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে আয়োজিত শান্তি সমাবেশে আসা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপর হামলা করে, অর্ধশত যানবাহনে হামলা, ভাঙচুর করেছে। আওয়ামী লীগের একটি কার্যালয় ভাঙচুর, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলমকে হত্যা করেছে বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।
এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও কয়েকজন নেতাকর্মীকে আহত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
ডেমরায় পরিবহন শ্রমিককে পুড়িয়ে হত্যা ও গণমাধ্যমকর্মী নিহত হওয়ার কথাও তুলে ধরেন কাদের।
বিএনপির হামলায় মহিলা আওয়ামী লীগের ছয়জনসহ আওয়ামী লীগের অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে জানান আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।
এ সময় তিনি সকলের প্রতি শোক ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। হামলাকারী ও নির্দেশদাতাদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানান তিনি।
ওবায়দুল কাদের জানান, আগামী ৪ নভেম্বর মেট্রোরেল উদ্বোধন উপলক্ষে ঢাকা বিভাগীয় সমাবেশে ভাষণ দেবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।









