বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, টেলি সেক্টরে কারা কারা দুর্নীতি করেছে, তাদের চিহ্নিত করে একটা শ্বেতপত্র করা হোক। পাচার করা অর্থগুলোকে কিভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, সে ব্যবস্থা করতে হবে। আর জনগণের কাছে ইন্টারনেট কম মূল্যে প্রান্তিক পর্যায়ে কিভাবে পৌঁছানো যায়, সে ব্যবস্থা করতে হবে।
রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ‘টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সেবা খাতে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ইশরাক হোসেন বলেন, অন্যান্য সেক্টরে যেরকম দুর্নীতি করা হয়েছে, তেমনিভাবে টেলি সেক্টরেও একই কাজ করেছে। নীরবে নিভৃতে এখান থেকে ব্যাপক লুটপাট করা হয়েছে।
জনগণের ট্যাক্সের টাকায় বানানো ইনফো সরকার ১,২ ও ৩ মন্তব্য করে তিনি বলেন, ইনফাসট্রাকচারগুলোকে বিশেষ ব্যক্তিরা অথবা ব্যক্তি কোম্পানিকে টোটাল অথোরিটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। তারা তাদের পারসোনাল প্রোপার্টির মতো সেগুলোকে ব্যবহার করেছে। অথচ এটা ব্যবহার করার কথা ছিল জেলা উপজেলা পর্যায়ে। কিন্তু, বিগত সরকার গভর্নেন্স সিস্টেমের কথা বলে লুটপাট চালিয়েছে। ব্যক্তি কিছু কোম্পানিকেও সুবিধা দেওয়া হয়েছে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, অতীতে যারা লাইসেন্স পেয়েছে, তারা যাতে মার্কেট আউট না হয় সে ব্যবস্থা করতে হবে। তারাও কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করেছে। একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে আমি সেটা মনে করি।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন টেলিকম বিশেষজ্ঞ মুস্তাফা মাহমুদ হুসাইন। এতে আরও বক্তব্য দেন বেসিসের সাবেক সভাপতি ও বিডিজবসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিম মাশরুর, ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইআইজিএবি) সভাপতি আমিনুল হাকিম, ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সাবেক সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম সিদ্দিক প্রমুখ।









