রাজধানীর মগবাজারে ফুটপাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উচ্ছেদ অভিযানে অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনার সঙ্গে মাথা গোঁজার শেষ ঠাঁইটুকুও হারান ৮০ বছর বয়সোর্ধ্ব নাঈমুদ্দিন। বিষয়টি জানার পর তার পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
জানা গেছে, বুধবার (১ এপ্রিল) উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে নাঈমুদ্দিনের কাছে গিয়ে থমকে যান দায়িত্বরত ম্যাজিস্ট্রেট। পরে, ‘এই দোকান উচ্ছেদ হবে না’ শিরোনামে একটি দৈনিক পত্রিকায় মানবিক প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। মুহূর্তেই সেটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। পরে নাঈমুদ্দিনের সঙ্গে কথা বলার ইচ্ছা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তারেক রহমানের পৃষ্ঠপোষকতায় গঠিত ‘আমরা বিএনপি পরিবারে’র সদস্য সচিব মোকছেদুল মোমিন মিথুন জানান, আজ বেলা সাড়ে ১১টায় নাঈমুদ্দিনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। নাঈমুদ্দিনের পাশে আজীবন থাকার আশ্বাস দেন তিনি। তাকে স্থায়ী ঘর, চিকিৎসা ও ভরণপোষণের দায়িত্ব নেওয়ার নির্দেশ দেন আমরা বিএনপি পরিবারকে।
মিথুন আরও জানান, প্রবীণ নাঈমুদ্দিনের চিকিৎসা ও ভরণপোষণের সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেওয়া হয়েছে। রাজধানীর মগবাজারেই তার বর্তমান অবস্থানের কাছাকাছি এসব সুবিধা নিশ্চিত করা হবে বলে সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছে আমরা বিএনপি পরিবার।
উল্লেখ্য, বুধবার ডিএমপির উচ্ছেদ অভিযানের সময় স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইমরান আহমেদের এক ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নাড়িয়ে দেয় সবাইকে। চারপাশে ভাঙচুর চললেও মানবিক দিক বিবেচনায় নাঈমুদ্দিনের ছোট্ট দোকানটি উচ্ছেদ না করার নির্দেশ দেন তিনি।









