প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই স্কুলে তৎপর শিবির, আছে আলাদা সিলেবাসও

সালমান তারেক শাকিল
২৭ নভেম্বর ২০১৭, ২১:৪৫আপডেট : ২৭ নভেম্বর ২০১৭, ২১:৫৩

 

ছাত্রশিবির ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রতিষ্ঠা ১৯৭৭ সালে। শুরু থেকে সংগঠনটিতে রয়েছে স্কুলপর্যায়ে তৎপরতা। রয়েছে স্কুলপড়ুয়া শিবিরকর্মীদের জন্য সুনির্দিষ্ট সিলেবাসও। এই সিলেবাসে  মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের রচনা থাকলেও বাংলাদেশের ইতিহাস বা মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত কোনও বিষয় নেই। বর্তমানে সংগঠনটিতে স্কুলপর্যায়ে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড মনিটরিং করার জন্য একটি কেন্দ্রীয় স্কুল কার্যক্রম বিষয়ক সম্পাদক রয়েছেন। প্রতিবছর নিয়মিতভাবে স্কুল প্রতিনিধি সম্মেলন করা হয় কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিকভাবে।

ছাত্রশিবিরের শুরুর দিকের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ১৯৭৭ সালে সংগঠন প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকে স্কুল কার্যক্রম শুরু করে ছাত্রশিবির। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত এই কার্যক্রম সারা দেশের স্কুল-কলেজগুলোয় ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে দেশের কয়েক হাজার স্কুলে ছাত্রশিবিরের শাখা রয়েছে বলে ঢাকা, সিলেট, ফেনী এলাকায় বসবাসরত সংগঠনের নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন। এক্ষেত্রে ‘মুরব্বি’ সংগঠন জামায়াতকে ‘চূড়ান্ত’ সংগঠন বিবেচনা করে একটি শিশুকে কেন্দ্র করে শিবিরের প্রস্তুতি শুরু হয় প্রাথমিকপর্যায় থেকেই। আর এর দিক-নির্দেশনা ছিল জামায়াত প্রতিষ্ঠাকালেই।

জামায়াতের বিভিন্ন পুস্তিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ১৯৪১ সালের ২৫ আগস্ট অবিভক্ত ভারত উপমহাদেশের পাঞ্জাবের পাঠানকোটের অন্তর্গত ‘দারুল ইসলামের’ মাসিক তারজুমানুল কোরআন কার্যালয়ে জামায়াতের প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। জামায়াত গঠনের উদ্দেশ্যে আয়োজিত ওই বৈঠকেই দলের প্রাথমিক কার্যাবলি ঠিক করেন উদ্যোক্তারা। কার্যাবলির শিক্ষা ও গবেষণা বিভাগের এক জায়গায় বলা হয়েছে, ‘নিজেদের শিক্ষাদর্শ অনুযায়ী পাঠ্যতালিকা,  শিক্ষক তৈরি করাসহ একটি শিক্ষায়তন প্রতিষ্ঠিত করে ভবিষ্যৎ বংশধরদের মানসিক ও নৈতিক শিক্ষা দানের কাজ শুরু করা।’

পরের বছর ১৯৪২ সালের ফেব্রুয়ারিতে মজলিসে শুরার অধিবেশনে জামায়াত ‘অস্থায়ী কেন্দ্র’ প্রতিষ্ঠা করে। ওই কেন্দ্রে কাজ করার জন্য একটি নকশা করা হয়। এতে চারটি বিষয়কে প্রধান করে কাজ ভাগ করা হয়। এগুলো হচ্ছে, শিক্ষা ও অনুশীলন, তত্ত্ব ও গবেষণা, সাধারণ পর্যায়ে দাওয়াত ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনা।

কিশোরকণ্ঠের সম্পাদক ও উপদেষ্টাদের তালিকা, এই তালিকার উপদেষ্টারা বর্তমানে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা

এই পরিকল্পনায় শিক্ষার সময়কে তিনটি ভাগে বিভক্ত করেন জামায়াতের প্রতিষ্ঠালগ্নের নীতিনির্ধারকরা। বুনিয়াদি, মাধ্যমিক ও উচ্চপর্যায়—শিক্ষার তিনটি ভাগ করে বুনিয়াদি বিভাগের এক জায়গায় বলা হয়, ‘সব ছেলেমেয়ের জন্য এ শিক্ষা হবে একই রকম। কেননা, আমাদের পরিকল্পনা মোতাবেক এ পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিটি ছেলেমেয়ের লাভ করা উচিত। পরে তারা দুনিয়ায় কৃষক, মজুর, প্রশাসক অথবা অধ্যাপক হিসেবে কাজ করুক, তাতে কিছু যায় আসে না।’

১৯৪৩ সালের ২১ ও ২২ অক্টোবর এক সম্মেলনে দলটির প্রতিষ্ঠাতা আবুল আলা মওদুদী তার ভাষণের একপর্যায়ে গণআন্দোলন নিয়ে আলোচনা করেন। ২০১০ সালে জামায়াতের প্রকাশনা বিভাগ থেকে প্রকাশিত জামায়াতে ইসলামীর কার্যবিবরণী প্রথম খণ্ডের বর্ণনা অনুযায়ী, ওই আলোচনার এক জায়গায় মওদুদী বলেছেন, ‘আমাদের এমন একটি লেখক গোষ্ঠী তৈরি করতে হবে, যারা জ্ঞান, শিল্প ও সাহিত্যের প্রত্যেক দিক থেকে বর্তমান ব্যবস্থার ওপর আক্রমণ চালাবেন।’

একই আলোচনায় একটু পরেই যুক্ত করেন, ‘মুজতাহিদ চিন্তাবিদগণকে সাহায্য করার জন্য অবশ্যই সাহিত্যিক, গাল্পিক ও নাট্যকারদের একটি দল থাকা উচিত, তারা চিন্তার সংগ্রাম ক্ষেত্রে গেরিলা যুদ্ধ করতে থাকবেন।’

দল প্রতিষ্ঠার সময় মওদুদীর এই নির্দেশনাকে সামনে রেখেই পরিচালিত হচ্ছে জামায়াত ও ছাত্র শিবির। এরই পরিপ্রেক্ষিতেই সমর্থক ও কর্মী তৈরি করতে শিবিরের টার্গেট থাকে স্কুলগুলো। একেবারে প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকেই তাদের সাংগঠনিক চিন্তা বিভিন্ন কৌশলে পোক্ত করা হয় শিক্ষার্থীদের মনে। এক্ষেত্রে বেছে নেওয়া হয় বিভিন্ন প্রক্রিয়া।

 প্রাথমিক পর্যায়ে রিক্রুটমেন্টের প্রথম ধাপে সাংস্কৃতিক সংগঠনই হচ্ছে প্রধান মাধ্যম। একইসঙ্গে শিশুসাহিত্য ও শিশুঘনিষ্ঠ গান দিয়েই তাদের মস্তিষ্কে প্রণোদনা দেওয়া হয় সুনির্দিষ্ট আদর্শের। এক্ষেত্রে কিশোরকণ্ঠ পত্রিকার সঙ্গে ভূমিকা রাখছে কেন্দ্রীয় ফুলকুঁড়ি আসন নামে একটি সংগঠন। ১৯৭৪ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর যাত্রা শুরু করেছিল এই সংগঠনটি।

২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে স্কুল প্রতিনিধি সম্মেলন

ছাত্র শিবিরের সাবেক (পরবর্তী সময়ে বহিষ্কৃত) সভাপতি ও বর্তমানে খেলাফত মজলিসের মহাসচিব অধ্যাপক আহমদ আবদুল কাদের বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘স্কুল কার্যক্রম সংগঠনের গোড়া থেকেই ছিল। একেবারে শুরু থেকেই ছিল। প্রাইমারি লেভেলে ফুলকুঁড়ি আসর ছিল, ওইটা দিয়েও কাজ হতো। সরাসরি তো স্কুলে তো কাজ করা সম্ভব ছিল না, কিন্তু শিশুদের গড়ে তোলার কাজটি ছিল। শিবিরের মূল কাজ তখন ছিল শিশুদের আদর্শ, নৈতিক হিসেবে গড়ে তোলা।’

ফুলকুঁড়ি আসরের উদ্যোক্তা হিসেবে আহমদ আবদুল কাদেরের ভাষ্য, ‘খুব সম্ভবত জয়নুল আবেদীন শুরু করেছিলেন। এখন একটি টিভিতে মনে হয় উপস্থাপনা করেন।’

ছাত্রশিবিরের জেলা পর্যায়ের কয়েকজন দায়িত্বশীল বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ‘‘এখন ফুলকুঁড়ি আসরের সঙ্গে যুক্ত করা এবং কিশোরকণ্ঠ পত্রিকা দেওয়ার কাজটি আছে। তবে এক্ষেত্রে প্রাথমিক পর্যায়ে ‘কোরআন শেখানো’র ওপর বেশি মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে।’’

 ছাত্র শিবিরের কেন্দ্রীয়ভাবে স্কুল কার্যক্রম-বিষয়ক একজন দায়িত্বশীল আছেন। সারা দেশের কার্যক্রমটি তিনিই পরিচালনা করেন। কী পরিমাণ শিক্ষার্থী শিবিরে যুক্ত আছে, তাদের আপডেট সবকিছুই তিনি দেখভাল করেন।  তার সঙ্গে যোগাযোগের নানা চেষ্টা করা হলেও পাওয়া যায়নি।

ছাত্র শিবিরের সিলেট বিভাগের একটি থানার সভাপতি বাংলা ট্রিবিউনকে জানান স্কুল পর্যায়ে রিক্রুটমেন্টের বিস্তারিত। তার ভাষ্যমতে, তার থানায় ২৬টি স্কুলে ছাত্রশিবিরের কার্যক্রম রয়েছে। এসব স্কুলগুলোয় সরাসরি সংগঠনের পরিচয়ে কাজ করার সুযোগ কম থাকলেও কয়েকটি কাজ দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের যুক্ত রাখছে শিবির। যুক্ত হওয়া শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সাধ্যমতো ইয়ানত (চাঁদা) নেয় সংগঠনটি। এ ক্ষেত্রে ২ টাকা শুরু করে ১০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা পায় শিবির।

থানা সভাপতি জানান, স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে কাজ করার প্রথম কৌশল হচ্ছে, একজন ছাত্রের পড়াশোনার মান। সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী কোন বিষয়ে ভালো, কোন বিষয়ে দুর্বল—এ দুটো বিষয়কে কেন্দ্র করে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে ২০১০ সালের জানুয়ারিতে ছাত্র শিবিরের ‘কর্মপদ্ধতি’র ‘দাওয়াত’ অধ্যায়ের ‘ক’ উপধারায় (পরিকল্পনা) বলা হয়েছে, ‘টার্গেটকৃত ছাত্রকে অগ্রসর করে নেওয়ার জন্য একটি বাস্তব পরিকল্পনা থাকা চাই। তা প্রয়োজন অনুযায়ী অল্প অথবা দীর্ঘ সময়ের জন্য হতে পারে। পরিকল্পিত কাজ করলেই সাক্ষাৎকারী একজন ছাত্রের চিন্তার পরিশুদ্ধির জন্য যথার্থ চিন্তা-ভাবনা করার সুযোগ পায়। কয়েক ছাত্রকে একসঙ্গে টার্গেটের আওতায় না এনে সুযোগ ও  সামর্থ্য অনুযায়ী কমসংখ্যক ছাত্রের ওপর অত্যন্ত ধৈর্য ও আন্তরিকতার সঙ্গে নিয়মিত কাজ চালিয়ে যেতে হবে।’

শিবিরের থানা সভাপতির মন্তব্যের সঙ্গে কর্মপদ্ধতির মিল পাওয়া গেছে। সিলেট বিভাগের এই থানার এই দায়িত্বশীল জানান, ‘প্রথমত একজন ছাত্রের পড়াশোনায় বিষয়ভিত্তিক অবস্থা জানার চেষ্টা করা হয়। দ্বিতীয়ত, ইসলামি সাহিত্য পড়তে উদ্বুদ্ধ করা হয়। তৃতীয়ত, টার্গেটকৃত শিক্ষার্থী কোরআন, হাদিস পড়তে পারছে কিনা, তা দেখা। প্রয়োজনে কোরআন পাঠ করতে সহযোগিতা করা। এই কাজগুলো মূলত করা হয় স্কুলের শিক্ষার্থীদের টার্গেট করে।

এই থানা সভাপতি বলেন, টার্গেট যে কেউ হোক, প্রক্রিয়া অভিন্নই থাকে ও কেন্দ্রীয়ভাবে যেভাবে নির্দেশ রয়েছে।

 সাহিত্য পড়ানোর ক্ষেত্রে কেন্দ্র থেকে নিয়ন্ত্রিত পাঠতালিকা অনুসরণ করা হয়। শিবিরের স্কুল পাঠ্য নামে একটি বইয়ের তালিকা আছে। এই তালিকায় একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত প্রয়াত গোলাম আযমের বইও পড়ানো হয়। তবে শিবিরের পাঠ্যতালিকায় উপেক্ষিত বাংলাদেশ সৃষ্টির ইতিহাস। নেই মুক্তিযুদ্ধকে জানার কোনও গ্রন্থও।

 কোরআন শরীরের ১০টি সুরা শেখানোর পাশাপাশি স্কুলপাঠ্যে রয়েছে  আবুল আলা মওদুদীর তাফহিমুল কোরআনের সার-সংক্ষেপ। এটি অনুবাদ করেছেন গোলাম আযম। এছাড়া জামায়াতপন্থী লেখকদের রচনা রয়েছে স্কুলপাঠ্য তালিকায়।

 বই পাঠের বাইরে স্কুলের ছাত্রদের সংবধর্না দেওয়া, পুরস্কার দেওয়া, সিডি ক্যাসেট দেওয়া, স্কুলে দেয়াল লিখন, দেয়ালিকা প্রকাশ, বিভিন্ন বিষয়ে রচনা প্রতিযোগিতা আয়োজন, বনভোজন, চা-চক্রসহ বিভিন্ন উপায়ে শিক্ষার্থীদের টার্গেট করে শিবির। এক্ষেত্রে কখনও-কখনও স্কুলের শিক্ষকদের সহযোগিতা পাওয়া গেলেও বর্তমানে এই সহযোগিতা অনেক কম বলে জানা গেছে। তবে জামায়াতপন্থী প্রতিষ্ঠানগুলোয় সাঁড়াশি কাজ হয় বলে শিবিরের দায়িত্বশীলরা জানান।

ফলকুঁড়ি আসর, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে এই প্রতিষ্ঠান দিয়েই শিবিরের হাতেখড়ি শুরু হয়

ছাত্র শিবিরের সাবেক একনেতা, যিনি ঢাকা মহানগরীর থানার দায়িত্বে আছেন। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, ‘এসএসসি, দাখিল পর্যায়ে সংবর্ধনা দিলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাড়া পড়ে। আর কখনও-কখনও অর্থনৈতিকভাবে বা বই খাতাপত্র কিনে দিয়েও সহযোগিতা করে থাকে শিবির। এসব কার্যক্রমের মধ্যে দিয়ে সংগঠনের কাজ পোক্ত হয়েছে সাধারণ স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে।’

এ বিষয়ে জানতে চেয়ে ছাত্র শিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির একাধিক দায়িত্বশীলকে মেইল, ফেসবুক ও ইমোতে নক করা হলেও কোনও জবাব আসেনি।

তবে ছাত্র শিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল মোবারক হোসাইন তার একটি প্রবন্ধে বলেছেন, ‘ছাত্রশিবির এমন এক সংগঠন, যেটি একজন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন ধরে ডিগ্রি দিয়ে থাকে। যেমন, কর্মী, সাথী ও সদস্য।’

ছাত্রশিবিরের কর্মীদের জন্য সুনির্দিষ্ট সিলেবাস সম্পর্কে মোবারক হোসাইন আরও লিখেছেনন, ‘বামপন্থী ছাত্রসংগঠনগুলো অধ্যয়নের ব্যবস্থা থাকলেও তা সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয় না। পক্ষান্তরে ছাত্রশিবিরের স্কুল ছাত্রদের জন্য Book list ছাড়াও কর্মী, সাথী ও সদস্যদের জন্য পৃথক স্তরভিত্তিক সিলেবাস রয়েছে।’

/এমএনএইচ/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বন্ধ কলকারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সভা
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বন্ধ কলকারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সভা
ত্রিমুখী তদন্তের ‍মুখে বেবিচকের প্রকৌশলী শরিফুল
ত্রিমুখী তদন্তের ‍মুখে বেবিচকের প্রকৌশলী শরিফুল
শিশুর হাতে স্মার্টফোন: আশীর্বাদ না অভিশাপ? 
শিশুর হাতে স্মার্টফোন: আশীর্বাদ না অভিশাপ? 
পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে কিমের বড় ঘোষণা
পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে কিমের বড় ঘোষণা
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান