ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এক সময় ‘বেশ্যাখানা’ ছিল, এমন মন্তব্য করা মো. শামীম আহসানের পদ স্থগিত করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একইসঙ্গে সব ধরনের সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) তার বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। শামীম বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি পদে ছিলেন।
জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তার (শামীম) মন্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। এতে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে। সংগঠনের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থি এ ধরণের বক্তব্যের দায়ে জেলা কর্ম পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট নেতার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সদস্য (রুকন) পদ স্থগিত করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাকে জেলা সহকারী সেক্রেটারির দায়িত্বসহ সংগঠনের সব ধরণের সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীর দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শ সমুন্নত রাখতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের বক্তব্য বা কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে আরও কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে।
এর আগে গত ২৪ জানুয়ারি রাতে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া ইউনিয়নের কাটাখালী এলাকায় বরগুনা-২ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. সুলতান আহমেদের নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য দেন শামীম। সেখানে তিনি বলেন, “আমরা দেখছি, ডাকসু নির্বাচনের পরে- যে ডাকসু মাদকের আড্ডা ছিল, যে ডাকসু বেশ্যাখানা ছিল, সেটা ইসলামী ছাত্রশিবির পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছে। তাই এই বাংলাদেশ থেকে সব ধরণের অন্যায়, সব ধরণের চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি উৎখাত করতে জামায়াতে ইসলামী সক্ষম।”







