প্রশাসনের একটি অংশের পক্ষপাতমূলক আচরণ এবং নির্বাচনি পরিবেশে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের অভাব আছে বলে অভিযোগ জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। তিনি বলেন, “কোনও ধরনের পাতানো নির্বাচন করার চেষ্টা করা হলে তা জামায়াত মেনে নেবে না।”
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ দলের সঙ্গে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
সকাল ১১টার দিকে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভারস ইজাবসের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল জামায়াত আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসেন। বৈঠকে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ দলটির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিনিধিদলটি মূলত নির্বাচনের প্রস্তুতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং কোনও ধরনের হুমকির আশঙ্কা আছে কিনা, সে বিষয়ে জামায়াতের অবস্থান জানতে চায়।
বৈঠক শেষে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের অভিযোগ করেন, “নির্বাচনে সমতল ভূমি বা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে। প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের একটি অংশ এখনও নির্দিষ্ট একটি পক্ষকে জেতাতে পক্ষপাতিত্ব করছে। নির্বাচন কমিশনকেও (ইসি) আমাদের কাছে দুর্বল মনে হচ্ছে। আমরা তাদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের দাবি জানিয়েছি।”
নির্বাচনি প্রচারণায় বাধার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “সারা দেশে জামায়াতের ১৫টি নির্বাচনি অফিসে আগুন দেওয়া হয়েছে এবং কর্মীদের হয়রানি করা হচ্ছে। জনমনে আতঙ্ক দূর করতে লুট হওয়া ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে প্রশাসনকে আরও তৎপর হতে হবে।”
ইইউ প্রতিনিধিদল অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে। জুবায়ের জানান, ইইউ ছাড়াও আগামীতে যুক্তরাজ্য ও তুরস্কসহ আরও কয়েকটি বিদেশি পর্যবেক্ষক দলের জামায়াত কার্যালয়ে আসার কথা রয়েছে।









