‘পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নির্বাচনি প্রচারণায় আমরা দলের নেতাকর্মীরাই যথেষ্ট। আমাদের নেতার জন্য আমরা মাঠে কাজ করছি। নির্বাচনের দিনও আমরা মাঠে থাকবো। আমরা আশাবাদী আগামী ৩০ ডিসেম্বর আমাদের প্রার্থী মাঠে থাকবে।’ বৃহস্পতিবার (২০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশান-২ নম্বরে ডিসিসি মার্কেটের কোনে জাতীয় পার্টির অস্থায়ী নির্বাচনি ক্যাম্পে দাঁড়িয়ে এসব কথা বলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এসএম ফয়সল চিশতী।
এর আগে, বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টার দিকে ঢাকা-১৭ আসনের বাড্ডা-সুবাস্তু এলাকা থেকে লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী জাতীয় পার্টির নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করের দলটির নেতাকর্মীরা।
লাঙ্গল প্রতীকের প্ল্যাকার্ড হাতে শত শত কর্মী-সমর্থক সুবাস্তু টাওয়ারের বিপরীত পাশ থেকে মিছিল নিয়ে নতুনবাজার হয়ে নর্দার থেকে গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালের পেছনের সড়ক দিয়ে গুলশান ঘুরে গুলশান-২ নম্বর ডিসিসি মার্কেটের পাশে জাতীয় পার্টির অস্থায়ী নির্বাচনি ক্যাম্পে এসে শেষ হয়। এসময় দলের নেতাকর্মীরা সড়কের বিভিন্ন মানুষের কাছে লাঙ্গল প্রতীকের লিফলেট বিলি করেন এবং হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের জন্য ভোট প্রার্থনা করেন। ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, উত্তর সিটি করপোরেশনের ১৫, ১৮, ১৯ ও ২০ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে ঢাকা-১৭ আসন গঠিত। এটি জাতীয় সংসদের ১৯০ নম্বর আসন।
জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এসএম ফয়সাল চিশতী বলেন, ‘নির্বাচনি প্রচারণায় পল্লীবন্ধু এরশাদের উপস্থিতি কোনও বিষয় না। তিনি জাতীয় নেতা, তিনি ভিভিআইপি নেতা। জাতীয় পার্টির নেতা পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নির্বাচনি প্রচারণায় দলের নেতাকর্মীরাই যথেষ্ট।’
তিনি বলেন, “আমরা মনে করি ১৯৯০-এর পরবর্তী সময়ে দেশে যে দুঃশাসন চলেছে, এই অবস্থা থেকে দেশবাসীকে একমাত্র জাতীয় পার্টি ও দলের নেতা পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ-ই মুক্ত করতে পারেন। আমাদের নেতা এরশাদ বলেছেন, ‘এবার রাষ্ট্র ক্ষমতায় এলে ১৫ দিনের মধ্যে দেশকে সন্ত্রাস এবং চাঁদাবাজ মুক্ত করবো’।”
এসএম ফয়সাল চিশতী বলেন, জাতীয় পার্টির অঙ্গীকারে আমরা বলেছি, এই দেশকে ৮টি প্রদেশে ভাগ করে মানুষের দৌরগোড়ায় প্রশাসনকে নিয়ে যেতে চাই। আমরা পূর্ণাঙ্গ উপজেলা চালু করতে চাই, যে উপজেলা ৯০-এর পরবর্তী সরকার এসে বন্ধ ঘোষণা করেছিল।
‘আমরা চাই স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকুক। এদেশে যারা স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি, তারা যাতে বিপুল ভোটে পরাজিত হয়। এতে করে দেশের বিরুদ্ধে তাদের সব মিশন অকার্যকর হয়ে যাবে। তাহলেই দেশ ও দেশের মানুষ ভালো থাকবে।’
প্রসঙ্গত, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নির্বাচনি প্রচারণা তার অনুপস্থিতিতেই শুরু হয়েছে। সোমবার (১০ ডিসেম্বর) রাতে তিনি সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন। পরদিন মঙ্গলবার বিকালে তার পক্ষে প্রচারণা শুরু করেন দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য এসএম ফয়সল চিশতী।








