মন্ত্রিসভা থেকে বেরিয়ে আসতে একমত হয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্যরা। এরশাদের বনানীর কার্যালয় রজনীগন্ধাতে রবিবার প্রেসিডিয়ামের বৈঠকের পর এ কথা বলেন জিএম কাদের।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। সভায় দলের ৩৭ জন সক্রিয় প্রেসিডিয়াম সদস্যের মধ্যে ২৩ জন উপস্থিত ছিলেন।
সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য রওশন এরশাদপন্থীদের বয়কটের মধ্যে দিয়ে শুরু হওয়া বৈঠকের পর জিএম কাদের আরও বলেন, কেবিনেট থেকে বেরিয়ে আসার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ।
অন্যদিকে আগামী ১৬ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাপা। পাশাপাশি প্রেসিডিয়ামের সভায় কো-চেয়ারম্যান হিসেবে জিএম কাদের ও মহাসচিব হিসেবে রুহুল আমিন হাওলাদারকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
রবিবার দুপুর আড়াইটার পর প্রেসিডিয়ামের বৈঠক শেষ হয়। বৈঠক শেষে জাপা মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, ১৬ এপ্রিল কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
তবে রওশন এরশাদসহ তার অনুসারীদের অনুপস্থিতি প্রসঙ্গে হাওলাদার বলেন, তিনি অফিসিয়াল কাজে ব্যস্ত আছেন। এ কারণেই আসতে পারেননি।
সভার শুরুতে জাতীয় পার্টির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, আগামী এপ্রিলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কাউন্সিল। এ কাউন্সিলের বিষয়েই মূলত প্রেসিডিয়ামে আলোচনা হবে। এ ছাড়া যে সব জেলায় এখনও কাউন্সিল হয়নি, সে সব জেলায় কাউন্সিলের তারিখ নির্ধারণ করা হবে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এম এ সাত্তার, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, উত্তরের সভাপতি এস এম ফয়সল চিশতী, প্রেসিডিয়াম সদস্য মীর আব্দুস সবুর আসুদ, হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, গোলাম হাবিব দুলাল, এম এ মান্নান, শেখ সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।
বৈঠকে রওশন এরশাদ, সরকারের থাকা জাতীয় পার্টির তিনজন মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, মশিউর রহমান রাঙা, মুজিবুল হক চুন্নু, বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ তাজুল ইসলাম চৌধুরী, সাবেক মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুসহ দলের ১২ জন প্রেসিডিয়াম সদস্য উপস্থিত ছিলেন না। এরা দলে রওশনপন্থী হিসেবে পরিচিত।
/এসটিএস/এফএ/








