বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়ার বিষয়ে মালয়েশিয়ার সঙ্গে সমঝোতা হলেও সিন্ডিকেটের কারণে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না বলে জাতীয় সংসদে অভিযোগ করেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) সংসদ সদস্য রুস্তম আলী ফরাজী। তিনি মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং কোনও সিন্ডিকেট না করে সব এজেন্সির জন্য কর্মী পাঠানোর সুযোগ উন্মুক্ত করার দাবি জানান।
রবিবার (২৬ জুন) জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই দাবি জানান।
রুস্তম আলী ফরাজী বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক মন্দার পরেও বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মালয়েশিয়া। এ নিয়ে দেশটির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। সবকিছু হওয়ার পর এখানকার (বাংলাদেশ) মন্ত্রী বারবার ওখানে গেলেন, তাদের (মালয়েশিয়া) মানবসম্পদমন্ত্রী বললেন, আপনারা সিদ্ধান্ত নিয়ে আমাদের জানান। আমরা নেবো।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশ থেকে বারবার সফর করেও কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না সিন্ডিকেটের কারণে। কয়েকটা বিশেষ গোষ্ঠীকে আমরা যদি সুযোগ দেই, তাহলে দাম বেড়ে যাবে। এখন মালয়েশিয়ায় যাওয়া যায় এক লাখ ২৫ হাজার টাকা থেকে দেড় লাখ টাকায়। কিন্তু পরে লাগবে তিন থেকে চার লাখ টাকা। আমাদের দেশের নিম্নবিত্ত ও সাধারণ মানুষ কীভাবে এত টাকা সংগ্রহ করবেন।’
মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, ‘টালবাহানা না করে, আপনারা সঠিক সিদ্ধান্ত নেন। সবাইকে ছেড়ে দেন, তাদের সঙ্গে আলোচনা করুন। অল্প টাকায় যাওয়ার ব্যবস্থা করুন। দেশের মানুষ এটা চায়।’
সাধারণ ঘরের সন্তানরা মালয়েশিয়া গেলে রেমিট্যান্স আসবে বলে জানিয়ে জাপার এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘অর্থমন্ত্রীর অর্থনৈতিক ভাণ্ডার সমৃদ্ধ হবে। দেশের কর্মসংস্থান হবে, আয় বাড়বে এবং বেকারত্ব দূর হবে।’
সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রীকে উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সাধারণ মানুষ যাতে মালয়েশিয়ায় যেতে পারেন, দ্রুত সেই ব্যবস্থা করুন।’








