ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদ জানিয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন। তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নামধারী ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের হামলায় নুরসহ অর্ধশতাধিক ছাত্র আহত হয়েছেন। এমন হামলা অকল্পনীয় ও লজ্জাকর। ছাত্রদের ওপর এ ধরনের হামলা পূর্বপরিকল্পিত।’
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে মতিঝিলে নিজ চেম্বারে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. কামাল বলেন, ‘হামলায় ছাত্ররা মারা যেতে পারতো। আহত অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এই হামলার তীব্র নিন্দা জানাই আমরা।’
এ ঘটনায় ঐক্যফ্রন্ট তদন্ত কমিটি চায় কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা বলার অপেক্ষা রাখে না। সংবিধানে বলা আছে—এ ধরনের ঘটনা ঘটলে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। এটা জনগণের দাবি হিসেবে গণ্য করা হয়।’
ডাকসুর হামলা জড়িতদের বিচার করা হবে-আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এই বক্তেব্যের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তিনি কি নিজের বিচার শুরু করবেন? নিজেকে আসামি ঘোষণা করে বিচার করলে তখন একটা কথা হবে।’
ড. কামাল বলেন, ‘আমি মনে করি, এই বছরটা খুব জগন্যভাবে শেষ হচ্ছে। নতুন বছরে সবাই মিলে বৃহত্তর ঐক্যকে সুসংহত ও জনগণের ঐক্যবদ্ধ করে দেশকে বাঁচানোর জন্য যা করা দরকার তা তা করবো। ভোট ডাকাত সরকার বিরুদ্ধে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করবো।’
জেএসডির সভাপতি আসম আব্দুর রব বলেন, ‘যে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ নাম দিয়ে নুরের হামলা করা হয়েছে ‘৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাদের বাবারও জন্ম হয়নি। কিসের মুক্তিযুদ্ধের মঞ্চ? ছাত্রলীগরা এই হামলা করেছে। অদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের দাবিকে আমরা সমর্থন জানাচ্ছি।’
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, গণফোরাম অধ্যাপক আবু সাঈদ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট মহসীন রশিদ, দফতর প্রধান জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু প্রমুখ।








