গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, ‘নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জনগণ ক্ষুব্ধ। নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত কোনও নির্বাচনই সুষ্ঠু হয়নি। নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বিভিন্ন সময় নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ এনেছেন। তাই তার উচিত জনগণের পক্ষে অবস্থান নিয়ে অবিলম্বে পদত্যাগ করা।’
শুক্রবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন পদ্ধতি বাতিলের দাবি পরিষদের’ উদ্যোগে আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি এই কথা বলেন।
এই সময় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ আইনের ৯০বি ধারাসহ সকল কালাকানুন বাতিল করে সকলকে রাজনীতি করার সুযোগ করে দেওয়ার দাবি জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন ও সরকার সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। এমনকী তারা ছোট কোনও ক্লাবের নির্বাচন চালাতেও সক্ষম নয়। নির্বাচন কমিশন ও এই সরকারের পদত্যাগ সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে। এখনই দল নিরপেক্ষ ব্যক্তির অধীনে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠন করে এবং নতুন নির্বাচন কমিশন নিয়োগ দিয়ে সকল পক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে।’
সভাপতির বক্তব্যে পরিষদের আহ্বায়ক ও সোনার বাংলা পার্টির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হারুন-অর-রশীদ বলেন, ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ আইনে সংযোজিত ৯০বি সহ সকল কালো আইন বাতিল করে শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় কমিটি, কেন্দ্রীয় অফিস ও গঠনতন্ত্রের ভিত্তিতে অর্থাৎ আন্তর্জাতিক মানের নিবন্ধন আইন চালু করতে হবে।’
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ও সমাজতান্ত্রিক মজদুর পার্টির সাধারণ সম্পাদক সামসুল আলম, পরিষদের সাংগঠনিক সচিব ও গ্রীন পার্টির চেয়ারম্যান রাজু আহমেদ খান, পরিষদের সদস্য এবং সৎ ও সংগ্রামী ভোটার পার্টির সভাপতি মোবারক হোসেন বিজ্ঞানী, গরীব মুক্তি আন্দোলনের আহ্বায়ক শামসুজ্জামান মিলন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা পার্টির সাধারণ সম্পাদক এএএম ফয়েজ হোসেন, ফরওয়ার্ড পার্টির জাতীয় কাউন্সিল প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব মো. মাহবুবুল আলম, গণতান্ত্রিক সমাবেশের সমন্বয়ক নয়ন আহমেদ প্রমুখ।








