‘অপরিচিত, ভুঁইফোড়, অকার্যকর’ দলকে নিবন্ধন দেওয়ায় নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)। সোমবার (২৪ জুলাই) নির্বাচন কমিশনের সামনে বিক্ষোভ করেন দলটির নেতাকর্মীরা। এ সময় ইসিতে প্রতিবাদলিপি জমা দেয় এবি পার্টি।
এবি পার্টির আহ্বায়ক, সাবেক সচিব এএফএম সোলায়মান চৌধুরী ও দলের সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মঞ্জুর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সকাল ১১টায় আগারগাঁও শেরাবাংলা নগরের নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে যায়। তারা ইসিতে লিখিত প্রতিবাদলিপি জমা দেওয়ার পর উপস্থিত সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
এ সময় এবি পার্টির আহ্বায়ক এএফএম সোলায়মান চৌধুরী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘মাঠে-ময়দানে সক্রিয়, কার্যকর এবং নিবন্ধনের সব শর্ত পূরণ করা সত্ত্বেও এবি পার্টিসহ একাধিক রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন না দিয়ে অপরিচিত, ভুঁইফোড়, অকার্যকর দলকে নিবন্ধন দিয়ে চরমভাবে বিতর্কিত হয়েছে নির্বাচন কমিশন। ইতোমধ্যে জাতীয় গণমাধ্যম এবং সচেতন মহলে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমলোচনা দেখা দিয়েছে।’
দলের সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ‘আবেদনকারী ৯৩টি রাজনৈতিক দল থেকে প্রথম পর্যায়ে ১২টি এবং অধিকতর যাচাই-বাছাইয়ের পর চারটি রাজনৈতিক দলকে ইসি চূড়ান্তভাবে বাছাই করে। সেই চারটি দলের ১০ শতাংশ জেলা-উপজেলায় আবার পুনঃতদন্ত করা হয়। প্রতিটি স্তরের যাচাই-বাছাইয়ে আইন ও নিয়মানুযায়ী এবি পার্টি যোগ্য বিবেচনায় শীর্ষস্থানে ছিল। কিন্তু শেষে এসে ইসি এসব যাচাই-বাছাইকে তুচ্ছ ও ছেলেখেলা বানিয়ে দিয়ে প্রহসনের আশ্রয় নিয়ে প্রেসক্রাইবড দুটি দলকে নিবন্ধন দিয়েছে।’
বিক্ষোভকালে আরও ছিলেন– দলের সিনিয়র সহকারী সদস্য সচিব আনোয়ার সাদাত টুটুল, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আলতাফ হোসেইন, গাজীপুর জেলা আহ্বায়ক এম আমজাদ খান, যুব পার্টির সদস্য সচিব শাহাদাত উল্লাহ টুটুল, কেন্দ্রীয় নেতা গাজী নাসির, তোফাজ্জল হোসেন রমিজ, হাদিউজ্জামান, সফিউল বাশার, ছাত্রনেতা মোহাম্মদ প্রিন্স, ফজলে এলাহী মোহন, মহানগর নেতা আমিরুল ইসলাম, সুলতানা রাজিয়া, আব্দুল হালিম নান্নু, মাসুদ জমাদ্দার রানা, সাইফুল মির্জা, মো. আনোয়ার হোসাইন, আব্দুল মান্নান, ফেরদৌসি আক্তার অপি, আমেনা আক্তার প্রমুখ।









