‘ভয় পান কেন’, প্রশ্ন চরমোনাই পীরের

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
২০ অক্টোবর ২০২৩, ১৯:৫৬আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০২৩, ২০:৩২

সরকার দেশে উন্নয়নের কথা বলেন, কিন্তু সঠিক নির্বাচন আয়োজনে ভয় পান কেন? এমন প্রশ্ন করেছেন ইসলামী আন্দোলনের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে উন্নয়ন হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশকে মানুষের দেশ বলা যায় না। দেশের যেদিকে তাকাই, সেদিকেই সমস্যা। যারা দিনের ভোট রাতে করে অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকে, তারা মানুষকে মানুষ হিসেবে গণ্য করছে না।

শুক্রবার (২০ অক্টোবর) বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ চত্বরে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় আগামী ৩ নভেম্বর (শুক্রবার) ঢাকায় মহাসমাবেশের ঘোষণা দেন চরমোনাই পীর।

তিনি আরও বলেন, ওবায়দুল কাদের সাহেব বলেছেন, ‘দিল্লি আছে তো আমরা আছি।’ তার দেওয়া বক্তব্যে প্রশ্ন আসে, তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা স্বীকার করেন কি না।

এ ছাড়া তিনি চলতি সংসদ ভেঙে দিয়ে জাতীয় সরকারের অধীনে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন, সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনপদ্ধতির প্রবর্তন ও নির্বাচন কমিশন বাতিলের দাবিতে আগামী ২৭ অক্টোবর (শুক্রবার) সারা দেশে জেলা ও মহানগরে বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি দেন।

দলটির সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী বলেন, ৩ নভেম্বর বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষ। তারা ক্ষমতায় থাকতে নানা ছলচাতুরি করে যাচ্ছে। সংবিধান দেশের জনগণের জন্য। আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতায় রাখার জন্য নয়। আওয়ামী লীগের যারা ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য দেন, তাদের কথায় মনে হয় দেশ তাদের। কিন্তু এই দেশ পীর-আউলিয়ার। আওয়ামী লীগের সঙ্গে সন্ত্রাসী ছাড়া কোনও জনগন নেই।

সিনিয়র নায়েবে আমিরর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেন, ভোটের ও ন্যায্য অধিকার আদায় করে মানসম্মান ও ইজ্জত রক্ষায় সমাবেশে উপস্থিত হয়েছি। ’১৪ সালের নির্বাচন প্রহসনের নির্বাচন ছিল। ’১৮-এর নির্বাচন ডাকাতের নির্বাচন ছিল। উন্নয়নের নামে তারা মেগা চুরি, ডাকাতি ও খুন করেছে।

তিনি আরও বলেন, ময়দানে নামতে হবে। আগামী নির্বাচন এই সরকারের অধীনে হবে না। আগামী নির্বাচন প্রহসনের হতে দেবো না। দিল্লির গোলামি আমরা মানবো না।

/সিএ/এনএআর/
সম্পর্কিত
স্থানীয় সরকার নির্বাচন: মাঠ পর্যায়ে ব্যালট বক্সের হিসাব চায় ইসি
ভোটার নিবন্ধন ফরম ৩০ জুনের মধ্যে ডাটাবেজে আপলোডের নির্দেশ ইসির 
ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের ওপর পুলিশের গুলি, জামায়াতের নিন্দা
সর্বশেষ খবর
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের বিজয়ে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের বিজয়ে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন
ইরানে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল: খামেনি
ইরানে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল: খামেনি
ডেঙ্গুর চরম ঝুঁকিতে ঢাকা দক্ষিণ সিটির ২৭টি ওয়ার্ড
ডেঙ্গুর চরম ঝুঁকিতে ঢাকা দক্ষিণ সিটির ২৭টি ওয়ার্ড
রামিসা হত্যা: সর্বোচ্চ সাজা চায় রাষ্ট্রপক্ষ, লঘুদণ্ডের দাবি আসামিপক্ষের
রামিসা হত্যা: সর্বোচ্চ সাজা চায় রাষ্ট্রপক্ষ, লঘুদণ্ডের দাবি আসামিপক্ষের
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের