‘৭ জানুয়ারি নির্বাচনের স্বপ্ন দেখবেন, কিন্তু বাস্তবায়ন করতে পারবেন না’

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০৮ ডিসেম্বর ২০২৩, ১৮:২২আপডেট : ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩, ১৮:৩৯

ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ করে বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা আবুল হাসনাত জালালী বলেছেন, আপনারা ২০১৮ সালেও পার পেয়ে গেছেন। আগামী সাত তারিখে (৭ জানুয়ারি) আপনারা নির্বাচনের স্বপ্ন দেখবেন, কিন্তু বাস্তবায়ন করতে পারবেন না। আপনারা এককভাবে নির্বাচন করে দেশকে বিপদের দিকে ঠেলে দিতে পারেন না। দেশকে বিপদে ফেললে আপনারাও বাঁচতে পারবেন না।

শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস আয়োজিত মাওলানা মামুনুল হকসহ সব ‘মজলুম’ কারাবন্দির নিঃশর্ত মুক্তি ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে ভোটাধিকার নিশ্চিতের দাবিতে ছাত্র সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাওলানা আবুল হাসনাত জালালী বলেন, আজ সংখ্যাগরিষ্ঠ এই মুসলমানের দেশে মাওলানা মামুনুল হকসহ বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করে কারারুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। এই সরকার মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে। এ জন্য সরকারকে জবাবদিহি করতে হবে। এই সরকার আমাদের অধিকার হরণ করেছে। এই সরকার ক্ষমতা ছেড়ে দিতে ভয় পায়। এর কারণ, তারা যে পরিমাণ অন্যায় করেছে সেজন্য জনগণের আদালতে তাদের বিচার হবে। আপনাদের (আওয়ামী লীগ) নোংরা খেলা দেশের জনগণ জেনে গেছে।

বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস আয়োজিত ছাত্র সমাবেশ

বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের সভাপতি মোল্লা মোহাম্মদ খালিদ সাইফুল্লাহ বলেন, ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারের পতন ঘটাতে হবে। আমাদের দেশকে রক্ষা করতে হবে। এই সরকার প্রশাসনকে ধ্বংস করেছ, বিচার ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে, শিক্ষা ব্যবস্থাসহ সব কিছুকে ধ্বংস করেছে। এই সরকার স্বৈরতন্ত্র কায়েম করতে চায়। দেশের জনগণ এ সরকারকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না।

এতে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সংগঠন বিভাগের সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান, কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ ও বায়তুল মাল সম্পাদক মাওলানা জহিরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক ও বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা রাকিবুল ইসলাম প্রমুখ।

/এএজে/এফএস/এমওএফ/
সম্পর্কিত
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
কদমতলীতে ইন্টারনেট সার্ভিসের ৩ কর্মীকে মারধর
‘জনগণের রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে’
সর্বশেষ খবর
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী