ইসলামী আন্দোলনের সংলাপে বাম প্রগতিশীল দলের নেতারা

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
০৩ জুলাই ২০২৪, ১৮:১৬আপডেট : ০৩ জুলাই ২০২৪, ১৮:২০

রাজধানীতে ইসলামী আন্দোলনের একটি সংলাপে অংশ নিয়েছেন বাম প্রগতিশীল দলের শীর্ষ নেতারা। বিএনপি, নাগরিক ঐক্য, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর), গণফোরাম, গণঅধিকার পরিষদ, এবি পার্টিসহ বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিরা সংলাপে অংশ নেন।

বুধবার (৩ জুলাই) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম হলে ‘জাতীয় সংকট নিরসনে জাতীয় সংলাপ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। 

অনুষ্ঠানে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘বাংলাদেশ ধীরে ধীরে ভারতের পেটে চলে যাচ্ছে। আমরা তিস্তার পানি চাইলেও শেখ হাসিনা কিন্তু চান না। আমাদের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে। সবাইকে এক হয়ে দেশকে রক্ষা করতে হবে। এ সরকার ক্ষমতায় থাকার জন্য দেশকে বিক্রি করে দিচ্ছে। মানুষের কল্যাণ হবে, আমরা এরকম একটা রাষ্ট্র চাই।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘আপনি ভারতকে ট্রানজিট দিয়েছেন, করিডোর দিয়েছেন– এটা কোনও দেশপ্রেমিক মানুষ করতে পারে না। ভারতের জন্য বাংলাদেশের নিরাপত্তা হুমকিতে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরের তিস্তা প্রকল্প চুক্তির সমাধান ছিল টেবিলের নিচে। এ সরকার এক ফোঁটা পানিও ভারতের কাছ থেকে আদায় করতে পারবে না।’

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের আরও ছিলেন– বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রধান নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিন, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, গণফোরামে সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চৌধুরী, গণঅধিকার পরিষদ সভাপতি নুরুল হক নূর, গণঅধিকার পরিষদের একাংশের আহ্বায়ক কর্নেল (অব.) মিয়া মশিউজ্জামান, এবি পার্টির সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমীর মাওলানা আহমাদ কাসেমী, মুসলিম লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আতিকুল ইসলাম, খেলাফত আন্দোলনের নায়েবে আমীর মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী প্রমুখ।

/এএজে/আরকে/
সম্পর্কিত
একান্ত সাক্ষাৎকারে মাহমুদুর রহমান মান্নাসরকারকে আরও অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে এগোতে হবে
জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা ভেঙে যাওয়া নিয়ে যা বললেন চরমোনাই পীর 
ঢাকার দুই সিটিতে ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী ঘোষণা
সর্বশেষ খবর
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী