নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, ‘কোটাবিরোধী আন্দোলনের ওপর সর্বোচ্চ বল প্রয়োগ এবং পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, ছাত্রলীগের ক্যাডার, ভাড়াটিয়া গুণ্ডাদের দিয়ে গুলি করে, পিটিয়ে শিক্ষার্থী হত্যার পর আলোচনায় বসার নাটক করছে সরকার। গত রাতে যখন প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষণে দুঃখ প্রকাশ করেছেন, তখনও ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর ক্র্যাকডাউন চলেছে। এসব নাটক ছাত্রসমাজ জানে, দেশের মানুষ জানে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে মান্না আরও বলেন, ‘প্রতিটি হত্যার, প্রতিটি রক্তের ফোঁটার, প্রতিটি আঘাতের হিসাব নেওয়া হবে। সব কিছু মনে রাখা হবে। ছাত্রসমাজ ইতোমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে, এতগুলো হত্যার পর, এত আঘাতের পর সরকারের সঙ্গে সংলাপ সহযোদ্ধাদের রক্তের সাথে বেইমানি।’
‘সহযোদ্ধাদের লাশ ডিঙিয়ে তারা সরকারের সঙ্গে কোনও আলোচনায় বসবে না। খুনি, নিপীড়ক সরকারের পতন ছাড়া এই অচলাবস্থার নিরসন হবে না’, বলেন মান্না।
তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থী এবং দেশের মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে না। এই সরকার ক্ষমতায় থাকলে উদ্ভূত পরিস্থিতির কোনও সমাধান সম্ভব নয়। আমি প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে শেখ হাসিনার অবিলম্বে পদত্যাগের দাবি জানাচ্ছি।’
নাগরিক ঐক্যের নেতা বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা স্বৈরাচারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে, বুলেটের সামনে দাঁড়িয়ে, ন্যায্য অধিকারের প্রশ্নে রাজপথে যে বীরত্ব দেখিয়েছে, বাংলাদেশের ইতিহাসে তা স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। এই লড়াইয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতি আবারও আমার সমর্থন জানাচ্ছি।’









