‘সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা বিপন্নে ভারতের ইন্ধন দেখছে’ হেফাজত

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
১১ আগস্ট ২০২৪, ১৮:০৯আপডেট : ১১ আগস্ট ২০২৪, ১৮:৩০

‘বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা বিপন্নকরণে ভারতের মদত রয়েছে’ দাবি করে সংবাদমাধ্যমে বিবৃতি দিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির  মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব সাজেদুর রহমান।

রবিবার (১১ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে তারা বলেন, ‘বাংলাদেশে সবসময় সংখ্যালঘু নির্যাতনের বেনিফিশিয়ারি হয়েছে ভারত ও স্বৈরাচার হাসিনা। গণ-অভ্যুত্থানের মুখে হাসিনা ভারত পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে ভারতের কিছু মুসলিমবিদ্বেষী মিডিয়া ও রাজনীতিক বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ হচ্ছে—এমন গুজব ছড়িয়ে বাংলাদেশবিরোধী প্রচারণা শুরু করেছে। সেটার প্রভাব হিসেবে এ দেশের সংখ্যালঘুদের মধ্যে ভীতি সঞ্চার হয়েছে। এসবের নেপথ্যে ভারতের ইন্ধন রয়েছে বলে আমরা মনে করি।’

তারা আরও বলেন, ‘পলাতক শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে ভারত আবারও প্রমাণ করেছে—তারা হাসিনার মতো একজন ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারকে দেড় দশক বাংলাদেশের জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ক্ষমতায় টিকে থাকতে সাহায্য করেছিল। ভারতের এমন বিতর্কিত ভূমিকা বাংলাদেশের জনগণকে ক্ষেপিয়ে তোলে এবং ভারত-বয়কটের প্রচারণা বাংলাদেশে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে।’

তারা বলেন, ‘সংখ্যালঘুদের জানমাল ও উপাসনালয় রক্ষায় প্রতিটি এলাকায় স্থানীয় ছাত্র-জনতা দ্রুত এগিয়ে আসায় ভারতের চক্রান্ত ব্যর্থ হয়ে গেছে। ভারতের তুলনায় বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা অনেক বেশি সুবিধা ও নিরাপত্তা ভোগ করে।’

‘ভারতের সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায় কী পরিমাণে রাষ্ট্রীয় নির্যাতন, বৈষম্য ও পরিকল্পিত দাঙ্গার শিকার হয়, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি বৈষম্যমূলক রাষ্ট্রীয় নীতি ও আচরণ পরিবর্তনে ভারতকে আমরা আহ্বান জানাই। আমাদের দেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা আমরা আপামর জনগণই নিশ্চিত করছি’, বলেন হেফাজতের নেতারা।

সংগঠনের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদীর সই করা বিবৃতিতে দুই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘এক্ষেত্রে ভারতের নাক গলানো এবং বাংলাদেশকে অস্থির করে তুলতে ভারতীয় ইন্ধনের আমরা তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।’

 

/এসটিএস/এপিএইচ/এমওএফ/
সম্পর্কিত
নতুন মেরুকরণের পথে কওমি ঘরানার ৭ ইসলামপন্থি দল, লাভবান হবে কারা?
হেফাজতকে নিঃশেষের পরিকল্পনা থেকেই শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞ: চিফ প্রসিকিউটর
৭ ইসলামি দলের নতুন জোটের আভাস, নেতৃত্বে কারা?
সর্বশেষ খবর
দশ বছর পর টাকার কোনও গুরুত্ব থাকবে না: ইলন মাস্ক
দশ বছর পর টাকার কোনও গুরুত্ব থাকবে না: ইলন মাস্ক
আমি নিজেই জুলাই যোদ্ধা: হিরো আলম
আমি নিজেই জুলাই যোদ্ধা: হিরো আলম
আমিরাতের ভিসা বাতিল নিয়ে যা বলছে দূতাবাস 
আমিরাতের ভিসা বাতিল নিয়ে যা বলছে দূতাবাস 
আ.লীগ আমলের ৩২ যুগ্মসচিবকে বাধ্যতামূলক অবসর
আ.লীগ আমলের ৩২ যুগ্মসচিবকে বাধ্যতামূলক অবসর
সর্বাধিক পঠিত
প্রধান শিক্ষিকার রিল ভিডিও ভাইরালের পর বিতর্ক, তদন্তে শিক্ষা বিভাগ
প্রধান শিক্ষিকার রিল ভিডিও ভাইরালের পর বিতর্ক, তদন্তে শিক্ষা বিভাগ
এক মিনিটেই মিলবে ৫ লাখ টাকা, চার দিনে ২ কোটি
এক মিনিটেই মিলবে ৫ লাখ টাকা, চার দিনে ২ কোটি
রাজধানীতে বাস-সিএনজির সংখ্যা অর্ধেক হয়ে গেলো কেন
রাজধানীতে বাস-সিএনজির সংখ্যা অর্ধেক হয়ে গেলো কেন
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সম্মানি ভাতা বাড়লো
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সম্মানি ভাতা বাড়লো
এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা
এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা