রাজনীতির ‘ট্রাম্পকার্ড’ হেফাজতে ইসলাম?

মহসীন কবির
০৯ আগস্ট ২০২৬, ২৩:২৩আপডেট : ০৯ আগস্ট ২০২৬, ২৩:৫৮

একটি অরাজনৈতিক সংগঠন হলেও গত দেড় দশক ধরে দেশের রাজনীতিতে প্রভাবশালী ভূমিকা রেখে আসছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠা হলেও কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক এ সংগঠনটি আলোচনায় আসে ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে কর্মসূচির মাধ্যমে।

এছাড়া জাতীয় নারী নীতি ও মোদিবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে মাঝে মাঝেই সংবাদ শিরোনাম হয়েছে সংগঠনটি। একটি অরাজনৈতিক সংগঠন হলেও এর সঙ্গে সম্পৃক্ত বেশিরভাগ নেতাই বিভিন্ন ধর্মীয় রাজনৈতিক দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। আবার ভোটের রাজনীতিতে এসব দলের মধ্যে একপক্ষ বর্তমান ক্ষমতাসীন বিএনপি এবং আরেকপক্ষ প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাই অরাজনৈতিক পরিচয়ের হেফাজতে ইসলাম কোনও না কোনোভাবে রাজনৈতিক বলয়ের বাইরে নয়। আবার একটি বড় ধর্মীয় সংগঠন হওয়ায় তাদের কখনও ভালো আচরণ দিয়ে আবার কখনও জোর করে কাছে পাওয়ার চেষ্টা করে আসছে ক্ষমতাসীন দলগুলো। মতবিরোধ থাকলেও হেফাজত নেতারা সব সময় বলে আসছেন—তারা যেহেতু অরাজনৈতিক, তাই রাষ্ট্রশক্তির সঙ্গে চূড়ান্ত বিরোধে যেতে চায় না তারা। হয়তো এ কারণেই অনেক সময় সরকারের সঙ্গে সংঘাত হলেও আবার আলোচনার টেবিলেও বসেছে।

২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের ঘটনা ও ২০১৭ সালে মোদিবিরোধী আন্দোলনে সরকারের বিরুদ্ধে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের হত্যার অভিযোগ আনলেও ২০১৮ সালের ৪ নভেম্বর ‘শুকরিয়া সমাবেশে’ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কওমি জননী উপাধি দিয়েছেন হেফাজতের তৎকালীন আমির প্রয়াত শাহ আহমদ শফি। আবার ২০২৪ সালের পটপরিবর্তনের কয়েক দিন আগেও শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে বৈঠক করেন হেফাজত নেতারা। জুলাই আন্দোলনেও তারা সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।

বর্তমানে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান বিএনপি সরকারও সংগঠনটির সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ও সখ্য গড়তে চায় বলে বিএনপি ও সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার (৯ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে গিয়ে ফটিকছড়িতে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের শীর্ষ আলেমদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এতে সভাপতিত্ব করেন হেফাজত আমির শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। এছাড়া হাটহাজারীর আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় হেফাজতে ইসলামের প্রয়াত আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করেন তারেক রহমান। প্রধান বিরোধীদল যখন সরকারবিরোধী আলোচনায় মুখর, ঠিক তখন হেফাজতের সঙ্গে বৈঠক করতে দেশের সরকারপ্রধান ছুটে গেলেন ফটিকছড়িতে। বিষয়টিকে বিএনপি বা সরকারের পক্ষ থেকে সৌজন্যতা বলা হলেও এর পেছনে রাজনৈতিক মাহাত্ম্য খুঁজছেন রাজনীতিবিদ ও বিশ্লেষকরা। তারা মনে করেন, অতীতে আওয়ামী লীগ তাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ জামায়াতকে ঠেকাতে হেফাজতকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে চেষ্টা করেছে। এবারও প্রধান বিরোধী দল জামায়াতের সাম্প্রতিক হুমকি-ধমকিতে তারেক রহমান হেফাজতকে নিজেদের আয়ত্তে রাখতে চান কিনা, সে প্রশ্নও সামনে আসছে। অনেকে মনে করেন, জামায়াতের আকিদাগত বিভিন্ন বিষয়গুলো হেফাজতের মধ্যে প্রচার করে সরকার জামায়াতকে দুর্বল করার পরিকল্পনা নিয়ে থাকতে পারে।

আবার হেফাজতই যে সব সময় তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে, সে ধরনের কোনও নিশ্চয়তাও নেই। কারণ অতীতে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকলেও শেখ হাসিনার সরকারকে হঠাতেও সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে হেফাজত। তাই এক্ষেত্রে সরকারকে ধীরগতিতে সামনে এগোতে হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সাধারণ সম্পাদক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক বজলুর রশিদ ফিরোজ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, হেফাজত একটি অরাজনৈতিক সংগঠন হলেও তারা সব সময় রাজনৈতিক দাবার ঘুঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। অতীতে শেখ হাসিনা জামায়াতের বিপক্ষে হেফাজতকে ব্যবহার করতে গিয়ে অনেক সময় তাদের সঙ্গে আপস করেছেন। কওমি জননী উপাধি নিয়েছেন। কিন্তু আখেরে তারাই আবার জুলাই আন্দোলনে তার বিপক্ষে রাজপথে নেছেন। এমনকি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে রাজপথে আন্দোলন করেছে তারা। তাই তারেক রহমান তাদের সঙ্গে সখ্য গড়ে ভবিষ্যতে কতটুকু সুবিধা করতে পারবেন, সেটিও বিশ্লেষণ সাপেক্ষ।

হেফাজতের সঙ্গে আ.লীগের ঘনিষ্ঠতা ও শেষ পরিণতি

২০১০ সালে গণজাগরণ মঞ্চের ব্লগারদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আলোচনায় আসলেও মাঝে মাঝে নিজেদের রাজনৈতিক শক্তির জানান দেয় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। বিশেষ করে ২০১৩ সালে মতিঝিলের শাপলা চত্বরের সমাবেশকে কেন্দ্র করে সারা দেশের নেতাকর্মীদের জড়ো করে তারা। তখন পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। সে সময় নিজেদের বেশ কিছু নেতাকর্মীর হতাহতের কথাও জানান তারা। যদিও তৎকালীন সরকার বিষয়টিকে অস্বীকার করেছে। আবার ২০১৭ সালে মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনকে ঘিরে সরকারবিরোধী আন্দোলনে রাজপথে কঠোর আন্দোলন করে হেফাজত। এর বাইরেও ভাস্কর্যবিরোধী আন্দোলন করতে গিয়েও সরকারের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়ে। আর ধর্মীয় নানা ইস্যুতে প্রতি জুমার পরই তাদের কর্মসূচিতে উত্তপ্ত থাকতো বায়তুল মোকাররমসহ পল্টন এলাকা। এমন বৈরী পরিস্থিতির মধ্যেই কওমি মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদিসকে মাস্টার্সের মান দেওয়ার ঘোষণা করে তৎকালীন সরকার। এ উপলক্ষে ২০১৮ সালের ৪ নভেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কওমি জননী উপাধি দেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির প্রয়াত শাহ আহমদ শফী। তবে তাদের সে মধুর সম্পর্কও বেশি দিন টিকেনি। শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুর পর হেফাজতে দুটি ধারা তৈরি হয়। একটির আমির জুনায়েদ বাবুনগরী এবং আরেকটি পক্ষ আহমদ শফীর ছেলে আনাস মাদানীকে ঘিরে কার্যক্রম পরিচালনা করে। তখন আনাস মাদানীর পক্ষটি সরকারের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখলেও জুনায়েদ বাবুনগরীর পক্ষটি সরকারে বিপক্ষে অবস্থান নেয়। অবশ্য শেষ পর্যন্ত আনাস মাদানীর বলয়টি টিকেনি। আর হেফাজতের মূল ধারাটিই জুলাই আন্দোলনে সরকার পতনের আন্দোলনে মাঠে সক্রিয় ছিল। এমনকি জুলাই পরবর্তী আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতেও তারা ভূমিকা রেখেছে।

সব সরকারে সময়ে সুসম্পর্ক থেকে বৈরী মনোভাবে যাচ্ছে কেন হেফাজতে ইসলাম, প্রশ্নে সংগঠনটির নায়েবে আমির আহমদ আলী কাসেমী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘‘হেফাজত যেহেতু অরাজনৈতিক ধর্মীয় সংগঠন, তাই সব সময়ে ধর্মীয় মূল্যবোধবিরোধী কর্মকাণ্ড হলে রাজপথে সক্রিয় ছিল। হেফাজত কখনও কারও সঙ্গে আপস করেনি। তবে অনেকেই আমাদের মিথ্যা অপবাদ দিয়ে থাকে। অতীতে সরকার আমাদের রাজপথে ঠেলে দিয়েছে। তবে আমাদের আন্দোলন রাজনৈতিক ছিল না। বর্তমান সরকারও যদি ইসলামের বিপক্ষে অবস্থান নেয়, তাহলেও হেফাজত বসে থাকবে না।’’

এবারও কি ট্রাম্পকার্ড?

সম্প্রতি জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারের বিপক্ষে রাজপথে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি দিয়েছে প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় ঐক্য। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, আওয়ামী লীগের আমলে তুরুপের তাস হিসেবে ব্যবহার হয়েছে হেফাজতে ইসলাম। তাদেরকে দিয়ে অনেক সময় জামায়াতের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়ানো হয়েছে। সে সময় শানে রিসালাত সম্মেলনে হেফাজতের তৎকালীন আমির শাহ আহমদ শফী জামায়াতকে মদিনার ইসলাম নয়, ‘মওদুদীর ইসলাম’ বলে আখ্যায়িত করেন। আবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেও বিভিন্ন ধর্মীয় সমাবেশে সংগঠনটির বর্তমান আমির মহিবুল্লাহ বাবুনগরীও একই ধরনের বক্তব্য রাখেন। তিনি প্রকাশ্যে ঘোষণা দেন— জামায়াত কোনও ইসলামী দল নয়। তাই তাদেরকে সমর্থন দেওয়া যাবে না। নির্বাচনের পরও তিনি এ সংক্রান্ত একাধিক বক্তব্য দেন। এমনকি জামায়াতের বিপক্ষে কওমি-ভিত্তিক দলগুলোকে অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দেন। তাদের নেতৃত্বে আলাদা জোট গড়ার পরামর্শ দেন তিনি। এর মধ্যেই কওমিপন্থি দলগুলোর সমন্বয়ে জোট গঠনের প্রক্রিয়াও চালাচ্ছেন তারা। যদিও হেফাজত নেতারা দাবি করেন— তাদের তৎপরতা জামায়াতের বিপক্ষে নয়। কওমি দলগুলোকে নিজেদের মতো চলার নির্দেশ দিয়েছেন হেফাজত আমির।

ক্ষমতাসীন বিএনপি ও প্রধান বিরোধী দলের নেতারা বিষয়টিকে ভিন্নভাবে মূল্যায়ন করতে চান। আর হেফাজতে ইসলামেও মনে করে, সরকারের পক্ষে বা বিপক্ষে থাকা তাদের কাজ নয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. হামিদুর রহমান আযাদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘‘হেফাজতে ইসলাম একটি অরাজনৈতিক ধর্মীয় সংগঠন। এর আমির একজন বয়োবৃদ্ধ মানুষ। সে হিসেবে প্রধানমন্ত্রী সেখানে যেতেই পারেন। এর সঙ্গে রাজনৈতিক যোগসূত্র আছে কিনা, তা আমাদের জানা নেই।’’

অপরদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রীর সবার ভালো-মন্দ দেখার দায়িত্ব রয়েছে। তিনি হেফাজতের আমিরের সঙ্গে দেখা করেছেন এক ধরনের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের কারণে। কারণ বিগত ফ্যাসিবাদের বিপক্ষে তো তাদেরও অবদান রয়েছে। তাই এখানে রাজনীতি খোঁজা ঠিক নয়। আর সরকার তো কাউকেই দূরে ঠেলে দিতে চায় না। তাই প্রধানমন্ত্রী তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখতে চান।’’

একই কথা জানান হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব আজিজুল হক ইসলামবাদী। তিনি বলেন, ‘‘হেফাজত কখনও কোনও সরকারের সুবিধাভোগী ছিল না। হেফাজত তার নিজস্ব নীতিতেই কর্মসূচি পালন করছে। ভবিষ্যতেও কোনও বিশেষ পক্ষের সুবিধার জন্য কাজ করবে না।’’

/এপিএইচ/এমওএফ/
সম্পর্কিত
মুরগির বিষ্ঠার ভাগ নিয়ে বিএনপির সঙ্গে মারামারি, জামায়াতের ৩ নেতা কারাগারে
দলের সিদ্ধান্তের প্রতি নেতাকর্মীদের আস্থা রাখতে বললেন প্রধানমন্ত্রী
আওয়ামী লীগের মৃত প্রতিমন্ত্রীর বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
সর্বশেষ খবর
যুবদল নেতাকে গুলি করার অভিযোগ জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে
যুবদল নেতাকে গুলি করার অভিযোগ জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে
মুরগির বিষ্ঠার ভাগ নিয়ে বিএনপির সঙ্গে মারামারি, জামায়াতের ৩ নেতা কারাগারে
মুরগির বিষ্ঠার ভাগ নিয়ে বিএনপির সঙ্গে মারামারি, জামায়াতের ৩ নেতা কারাগারে
দলের সিদ্ধান্তের প্রতি নেতাকর্মীদের আস্থা রাখতে বললেন প্রধানমন্ত্রী
দলের সিদ্ধান্তের প্রতি নেতাকর্মীদের আস্থা রাখতে বললেন প্রধানমন্ত্রী
সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে নওগাঁর ৭ প্রবাসীর মৃত্যু
সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে নওগাঁর ৭ প্রবাসীর মৃত্যু
সর্বাধিক পঠিত
নাম বদলাচ্ছে র‌্যাব, পুরো নিয়ন্ত্রণ যাচ্ছে এক বাহিনীর কাছে
নাম বদলাচ্ছে র‌্যাব, পুরো নিয়ন্ত্রণ যাচ্ছে এক বাহিনীর কাছে
আগারগাঁওয়ের ভাতের হোটেলের ‘ভাইরাল মিজান’ গ্রেফতার
আগারগাঁওয়ের ভাতের হোটেলের ‘ভাইরাল মিজান’ গ্রেফতার
জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোটের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা
জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোটের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা
ভারতীয় ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত
ভারতীয় ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত
দুই নেতা আলোচনায় বসলে সব সমস্যার সমাধান হবে: ভারতের হাইকমিশনার
দুই নেতা আলোচনায় বসলে সব সমস্যার সমাধান হবে: ভারতের হাইকমিশনার