গত কয়েকদিনে দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের ওপর আক্রমণ, তাদের উপাসনালয় ভাঙচুর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল, রাজনৈতিক দলের অফিস ভাঙচুর-দখল, পুলিশ হত্যা, থানা লুট ও অগ্নিসংযোগ, কারাগার ভেঙে বন্দিদের পলায়নসহ ঘটনাবলি ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের বিজয়ের চিত্রকেই ম্লান করে দিয়েছে বলে মনে করে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি। দলটি আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক দল।
রবিবার (১১ আগস্ট) ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সভা শেষে গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়।
বৈঠকে বলা হয়, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে প্রত্যাশিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে। বিগত সরকারের শাসন অবসানের পর দেশের যে নৈরাজ্য ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে— এই সরকার গঠনের মধ্যদিয়ে তার অবসান ঘটবে বলে দেশবাসী আশা করে।
সভায় বলা হয়, এ সব কার্যক্রম ছাত্র গণ-অভ্যুত্থানের ঘোষিত চেতনার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। ওয়ার্কার্স পার্টির সভায় দৃঢ়ভাবে দাবি করা হয়, অন্তর্বর্তী সরকার এসব ব্যাপারে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের মূল প্রতিশ্রুতি পালনে তার প্রতিশ্রুত ভূমিকা রাখবে।
ওয়ার্কার্স পার্টির সভায় আশা প্রকাশ করা হয়— অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, মানবিক, বহুত্ববাদী সমাজ গঠন, বিশেষ করে সব ধরনের বৈষম্য দূর করে জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সমাজে দুর্নীতি, লুটপাট, অর্থপাচার, বাজার সিন্ডিকেটের অনাচার রোধ করতে আন্দোলনকালীন সময়ের মতোই দৃঢ় ভূমিকা রাখবে।








