গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, ‘হাজারো শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের যে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, এই সরকারের প্রথম কাজ এই শহীদদের মর্যাদা নিশ্চিত করা এবং যারা আহত তাদের চিকিৎসায় কোনও অবহেলা যেন না হয়।’
শুক্রবার (১ নভেম্বর) বিকালে রাজধানীর লালবাগে জামিলা খাতুন বালিকা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ‘নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ হোন’ স্লোগানে ২৪-এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে তিনি এসব কথা বলেন।
সাকি বলেন, ‘নতুন রাষ্ট্র কীভাবে চলবে সেটা দেশের সব নাগরিক মিলে ঠিক করবে। কেউ যেন আবারও স্বৈরাচারী হয়ে উঠতে না পারে সেই সাংবিধানিক ব্যবস্থা দরকার।’
স্মরণসভায় উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য মনির উদ্দীন পাপ্পু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আলিফ দেওয়ান, সদস্য সচিব সেলিমুজ্জামানসহ লালবাগ-চকবাজার-বংশাল-কোতোয়ালী-কামরাঙ্গীরচর থানা নেতারা। সভায় সভাপতিত্ব করেন লালবাগ থানা গণসংহতি আন্দোলনের আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন টিটো।









