খেলাফত মজলিস মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেছেন, ‘ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয় প্রতিষ্ঠা স্থিতিশীল বাংলাদেশের পক্ষে হুমকি স্বরূপ। জাতিসংঘের সদস্য বিশ্বের প্রায় ২০০টি দেশের মধ্যে যে ১৬টি দেশে এই অফিস রয়েছে প্রতিটি দেশই অস্থিতিশীল। ফিলিস্তিন, সিরিয়ায় অফিস থাকা স্বত্বেও গণহত্যার বিরুদ্ধে এই কমিশনের কার্যকর কোনও ভূমিকা নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘অথচ ভারতে রাষ্ট্রীয়ভাবে কট্টর হিন্দুত্ববাদী মোদি সরকার সংখ্যালঘু মুসলমানদের নির্বিচারে হত্যা করছে, মসজিদ-মাদরাসাসহ মুসলিম ঐতিহ্যের ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো ধংস করছে। সেখানে জাতিগত বিভেদ সরকারিভাবে উসকে দিচ্ছে, চরমভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে। সেখানে এই জাতিসংঘ মানবাধিকার বিষয়ক অফিস স্থাপন করতে পারেনি।’
ইসলামী যুব মজলিসের গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) বিকালে পল্টন কালভার্ট রোডস্থ মজলিস মিলনায়তনে ইসলামী যুব মজলিস আয়োজিত ‘ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক অফিস স্থাপন: হুমকি ও বাস্তবতা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি তাওহীদ ইসলাম তুহিন।
জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়ের প্রসঙ্গে আহমদ আবদুল কাদের বলেন, ‘আমাদের পাশেই মায়ানমারে মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে সেখানেও অফিস করতে পারেনি। ১৯৯৩ সালের ২০ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রামাণিকভাবে কমিশনটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী ও দেশের জন্য কাজ করছে।’
তিনি বলেন, ‘অবিলম্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে এই চুক্তি বাতিল করতে হবে।’
গোলটেবিল বেঠকে বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনা করেন খেলাফত মজলিস যুগ্ম মহাসচিব মুহাম্মদ মুনতাসির আলী, অধ্যাপক আবদুল জলিল, খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা রুহুল আমিন সাদী, ইসলামী ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ রায়হান আলী, অ্যাডভোকেট মো. শায়খুল ইসলাম, আসাদ পারভেজ।









