সব দলের প্রতিনিধি নিয়ে ‘নির্বাচন সমন্বয় কমিটি’ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে আগামী নির্বাচন অনিশ্চয়তায় পরতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে নূরের ওপর হামলা ও নীলফামারীতে শ্রমিক হত্যার ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ। তাই তাদেরকে পুনর্গঠন করা জরুরি।
মঙ্গলবার (২ আগস্ট) সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
সাকি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা জাতীয় নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই করতে চান। উৎসবমুখর ও ভীতিহীন পরিবেশে যেন সবাই ভোট দিতে পারেন, সে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চান।
আমরা বলেছি, নির্বাচনের আগে বিচার দৃশ্যমান ও সংস্কার বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। যেসব বিষয়ে পূর্ণ ঐকমত্য হয়েছে, আগামী সরকার কীভাবে বাস্তবায়ন করবে, তার প্রক্রিয়াও বের করতে হবে। আর যা একমত হয়নি, তা জনগণের ওপর ছেড়ে দিতে হবে। তারা তা ভোটের মাধ্যমেই নির্ধারণ করবেন। তাছাড়া সংস্কার যেন টেকসই হয়, সে তাগিদ দিয়েছি।
সাকি আরও বলেন, বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন ক্ষতিগ্রস্ত করার কোনও তৎপরতা যেন কেউ না করেন। কারণ, এতে দেশের স্থিতিশীলতা থাকবে না। সরকার যেন বৈষম্য না করে।
আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য দলের কতটুকু দায় তা বিচারিক প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন করার দাবি জানান সাকি।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় নেতা তাসলিমা আক্তার ও বাচ্চু ভূঁইয়া।









