গণসংহতির কার্যালয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর বৈঠক

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৪:৫৪আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৫:৪১

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জোট গড়ে তোলার লক্ষ্যে বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল বৈঠক করেছে। বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর হাতিরপুলে গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং বিকাল তিনটার দিকে শেষ হয়।

বৈঠকে অংশ নেওয়া একাধিক রাজনৈতিক নেতা জানান, বৈঠকে গণতন্ত্র মঞ্চের শরিক দল গণসংহতি আন্দোলন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, নাগরিক ঐক্যসহ কয়েকটি দল রয়েছে। এছাড়া এবি পার্টি, গণঅধিকার পরিষদের শীর্ষ নেতারাও রয়েছেন।

কোনও একটি সূত্র জানায়, বৈঠকে এনসিপিও অংশগ্রহণ করছে।

একটি রাজনৈতিক দলের নেতা বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, নির্বাচনকে সামনে একটি বৃহত্তর জোট করার চেষ্টার অংশ হিসেবে আজকের বৈঠক। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে কোনও জোট হলে সেই জোটে অনেক দলই যেতে অনাগ্রহী। তবে জামায়াত নেতৃত্ব না দিলে যুগপৎ ধারায় কিছু করলে সেখানে অনেক দল থাকতে পারে।

বিএনপির একটি সূত্র জানায়, জামায়াতের বাইরে অন্যান্য দল মিলে, বিশেষ করে উদার-প্রগতিশীল ও ডানপন্থি দলগুলো মিলে জোট করলে নির্বাচনে ইতিবাচক ফলাফল আনার সুযোগ রয়েছে।

জানতে চাইলে একটি দলের প্রধান জানান, বৈঠকটি হাতিরপুলে গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ভবনের চায়না কিচেন রেস্ট্রুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে একাধিক রাজনীতিক জানান, বৈঠকটি শেষ হয়েছে। মূল আলোচনা হয়েছে, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে ঐকমত্য সৃষ্টির উপায় নিয়ে। কীভাবে বিএনপিকেও সম্মত করা যায়, সে বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। 

সরকারের সঙ্গে বড় ধরনের দ্বিমতে না গিয়ে কীভাবে সর্বদলীয় মতামতের ভিত্তিতে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দিকে আগানো যায়, সে প্রচেষ্টা থেকেই এই দলগুলো বৈঠক করে। 

প্রসঙ্গত, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে আজ জামায়াত, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, ইসলামী আন্দোলনসহ সাতটি দলের বিক্ষোভ কর্মসূচি রয়েছে। বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই কর্মসূচি কার বিরুদ্ধে। 

/এসটিএস/এপিএইচ/
সম্পর্কিত
কেন জামায়াত-জোট ছাড়লো খেলাফত মজলিস
৭ ইসলামি দলের নতুন জোটের আভাস, নেতৃত্বে কারা?
জামায়াত-এনসিপি জোট কি ভেঙে যাচ্ছে 
সর্বশেষ খবর
রাজস্থানের পর্যটনে নতুন চমক, ৬ মাসেই ১০.৯২ কোটি পর্যটকের ভিড়
রাজস্থানের পর্যটনে নতুন চমক, ৬ মাসেই ১০.৯২ কোটি পর্যটকের ভিড়
মাদক কারবারি ও ছিনতাইকারীদের আটকে রাখতে না পারার কারণ জানালেন আইজিপি
মাদক কারবারি ও ছিনতাইকারীদের আটকে রাখতে না পারার কারণ জানালেন আইজিপি
৭ গোলে জিতেও খুশি নন বাংলাদেশের কোচ
৭ গোলে জিতেও খুশি নন বাংলাদেশের কোচ
অনেক প্রশ্ন মাথায় নিয়েই মক্কা জোটের যাত্রা শুরু 
অনেক প্রশ্ন মাথায় নিয়েই মক্কা জোটের যাত্রা শুরু 
সর্বাধিক পঠিত
দেড় ঘণ্টা পর শাহবাগ ছাড়লেন ‘ঢাকাস্থ নোয়াখালীবাসীরা’
দেড় ঘণ্টা পর শাহবাগ ছাড়লেন ‘ঢাকাস্থ নোয়াখালীবাসীরা’
নতুন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল
নতুন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল
পেডিকিউর থেকে কেনাকাটা, পাতায়ায় মার্কিন নাবিকদের ছুটির আমেজ
পেডিকিউর থেকে কেনাকাটা, পাতায়ায় মার্কিন নাবিকদের ছুটির আমেজ
বন্ধ হয়ে গেলো ১৮ বছর ধরে চলা দূরপাল্লার বাস সার্ভিস
বন্ধ হয়ে গেলো ১৮ বছর ধরে চলা দূরপাল্লার বাস সার্ভিস
বৃন্দাবনের যে অংশে সন্ধ্যার পর প্রবেশ নিষেধ
বৃন্দাবনের যে অংশে সন্ধ্যার পর প্রবেশ নিষেধ