বিভিন্ন কারণে সারাদেশে ৩৩৮ স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ, উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন। রাজনৈতিক দলটির দাবি, তুচ্ছ ও ঠুনকো কারণে প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিল করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি করে রাজনৈতিক দলটি। পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রার্থিতা ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলছে তারা।
দলটির প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি ও নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণসংহতি আন্দোলন দু’জন প্রার্থী সেন্টু আলী এবং গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা ফাতেমা রহমান বীথির মনোনয়ন তুচ্ছ ও ঠুনকো কারণ দেখিয়ে বাতিল করা হয়েছে। একইসঙ্গে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ূম, স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা, মিজানুর রহমান, সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতনসহ সারাদেশে বিভিন্ন দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। বিশেষ করে সারাদেশে ৩৩৮ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হওয়া আমাদের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। নির্বাচন কমিশনের এ ধরণের আচরণ কোনোভাবে কাম্য নয়।
এতে আরও বলা হয়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে বিচার, সংস্কার, নির্বাচনের পথরেখা সফল করার অন্যতম ধাপ হলো সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন করা। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এই নির্বাচন। এই নির্বাচনে দেশের সব ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তির সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।









