চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে দুটি স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন স্থাপন করেছে ফ্রেশ অনন্যা। এর মধ্যে একটি সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে এবং অন্যটি বিজ্ঞান অনুষদে স্থাপন করা হয়।
বৃহস্পতিবার (আগস্ট ২৮) ভেন্ডিং মেশিন স্থাপন করা হয়েছে। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের শহীদ হৃদয় চন্দ্র তারুয়া ভবনে ‘মেনস্ট্রুয়াল হেলথ অ্যান্ড অ্যাওয়েরনেস’ শীর্ষক একটি সেমিনার আয়োজিত হয়।
সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইয়াহিয়া খান বলেন, “আমাদের স্বপ্নের ক্যাম্পাস গড়ার পথে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। আমি এক্সিলেন্স বাংলাদেশ ও ফ্রেশ অনন্যাকে ধন্যবাদ জানাই এ ধরনের কার্যক্রম আয়োজনের জন্য এবং স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। ভবিষ্যতে আমরা এ ধরনের কাজ আরও করবো।”
সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. ইকবাল শাহীন এবং ডা. তাজকিতুল ইসলাম মহুয়া। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১০০ জন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এই সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের অন্যতম শিল্পগোষ্ঠী মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের (এমজিআই) ব্র্যান্ড ‘ফ্রেশ অনন্যা স্যানিটারি ন্যাপকিন’ দেশব্যাপী বিশেষ ক্যাম্পেইন চালিয়ে যাচ্ছে। ‘এক্সিলেন্স বাংলাদেশ’র সঙ্গে যৌথভাবে ইতিমধ্যে প্রায় ১৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্পোরেট অফিসে এই ক্যাম্পেইন চালানো হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, আলহাজ্ব নূর মিয়া ইউনিভার্সিটি কলেজ, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ, স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, গ্রামীণফোন, দ্য ডেইলি স্টারসহ অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো।
ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে পরিচালিত হয় বিভিন্ন ওয়ার্কশপ ও সচেতনতামূলক সেশন। এর বাইরে কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সর্বস্তরের নারীদের জন্য কম দামে ও সহজে স্যানিটারি ন্যাপকিন গ্রহণের জন্য ভেন্ডিং মেশিন স্থাপন করে যাচ্ছে ফ্রেশ অনন্যা।
ন্যাশনাল হাইজিন সার্ভে ২০১৮-এর তথ্যানুসারে, বাংলাদেশে মাত্র ২৯ শতাংশ নারী স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করে। অর্থাৎ প্রায় ৭১ শতাংশ নারী এখনও স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করে না। পিরিয়ডের সময় অস্বাস্থ্যকর কাপড় ব্যবহার করার ফলে সার্ভিক্যাল ইনফেকশন হতে পারে। এছাড়াও অস্বাস্থ্যকর কাপড় ব্যবহারের ফলে পরবর্তীতে বন্ধ্যাত্ব এমনকি ক্যান্সারের ঝুঁকি থাকে। এর জন্য প্রয়োজন জনসচেতনতা।









