ভিসা পেলে আগামী ১৩ জুলাই ইংল্যান্ডের পথে উড়াল দিতে পারেন কাটার বয় মুস্তাফিজুর রহমান। আগামী ১৫ জুলাই সাসেক্সের হয়ে ইংলিশ ক্রিকেটে তার অভিষেক হতে পারে। ইতোমধ্যেই মুস্তাফিজের জন্য ইংল্যান্ডের ভিসার আবেদন করা হয়েছে। বিসিবি পরিচালক ও মিডিয়া কমিটির প্রধান জালাল ইউনুস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘ভিসা পেলে ঈদের পরই ইংল্যান্ডে যাবেন মুস্তাফিজ।’
এদিকে ঈদের আগে শেষ দিনের মতো নেট সেশন করেছেন সাতক্ষীরা থেকে উঠে আসা এই ক্রিকেটার। শুক্রবার জাতীয় দলের ফিজিও বায়েজিদুল ইসলাম খানের তত্ত্বাবধানে মিরপুর একাডেমির নেটে বল করেন মুস্তাফিজুর রহমান। এরপর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন। আইপিএল খেলে এসে প্রথমবারের মতো সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হলেন মুস্তাফিজ। সেখানে অবশ্য সাসেক্সের খেলা নিয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি তরুণ এই ক্রিকেটার। তবে তিনি সাসেক্সের হয়ে খেলার সুযোগ পেলে সেরাটা দেওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী।
ফিটনেস, ঈদের ছুটি আর ইংল্যান্ড যাত্রাসহ নানান বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন তরুণ এই ক্রিকেটার। তারই চুম্বক অংশ বাংলা ট্রিবিউন পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো -
প্রশ্ন: এখন কতটা ফিট?
মুস্তাফিজ : সবকিছু আপনাদের দোয়ায় ভালো যাচ্ছে। আগের চেয়ে এখন অনেক ভালো। আসার পর (আইপিএল থেকে) শুরুতে যে অবস্থা ছিল, তার চেয়ে ভালো। আগে বোলিং করতে পারিনি, এখন বোলিং করছি। সবকিছু ভালো।
প্রশ্ন : জানা গেছে ১৫ জুলাইয়ের ম্যাচ থেকে সাসেক্সের হয়ে খেলবেন?
মুস্তাফিজ: এখনও জানি না। বোর্ড থেকে এখনও কিছু জানায়নি, ছুটি দেয়নি। এখনও তো কাজ চলছে (ইনজুরির পুনর্বাসন)। ফিজিও বায়েজিদ ভাই, ব্রেট (হ্যারপ, ট্রেনার) কি বলে শুনতে হবে। বিসিবি কী বলে…তারপর দেখা যাবে।
প্রশ্ন : এমনিতে ইংল্যান্ডে খেলার জন্য অনেকে মুখিয়ে থাকে। আপনার সেই রোমাঞ্চ কতটুকু?
মুস্তাফিজ: সাসেক্সে গেলে তো ভালোই হবে। ওখানে গেলে ভালো লাগারই কথা। ওখানে যদি সুযোগ পাই চেষ্টা করব সেরাটা দেওয়ার।
প্রশ্ন : সামনে হয়ত বিগ ব্যাশ, সিপিএল ও অন্যান্য টি-টোয়েন্টি লিগ গুলোতেও আপনাকে নিয়ে কাড়াকাড়ি পড়বে। কিভাবে সব সামলাবেন, ভেবেছেন?
মুস্তাফিজ: আমি এরকম বেশিকিছু ভাবি না। আমার যে জায়গায় সুযোগ আসে, আমি চেষ্টা করি নিজের সেরাটা দেওয়ার।
প্রশ্ন : বয়সভিত্তিক দলের হয়ে ২০১৩ সালে একবার ইংল্যান্ডে গিয়েছিলেন। মনে আছে সেই অভিজ্ঞতা?
মুস্তাফিজ: অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে ইংল্যান্ডে গিয়েছিলাম। একটা ম্যাচ খেলার (ত্রি-দেশীয় যুব সিরিজে পাকিস্তানের বিপক্ষে লাফবরোতে) পর ইনজুরিতে পড়লাম। চলে আসতে হয়েছে।
প্রশ্ন : প্রথমবার একাকি বিদেশে গেছেন আইপিএল খেলতে। অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
মুস্তাফিজ : আইপিএল-এ একা ছিলাম। এখানে যেমন দেশের সবাই আমরা ভাইয়ের মতোই; পার্থক্য বুঝি না। আমি দলে সবার ছোট বলে সবাই আদর করে। খুব ভালো লাগে আমার। ওখানেও সবাই যত্ন করতো। প্রথম দুই-একদিন খারাপ লেগেছে একা একা। পরে দেখলাম সবাই আমার সঙ্গে কথা বলছে, হাসি-খুশি। পরে ভালোই চলেছে।
/আরআই/এফআইআর/








